Warning: file_get_contents(http://ipwho.is/216.73.216.233): failed to open stream: HTTP request failed! HTTP/1.1 429 Too Many Requests in /home/u483705982/domains/alokitosirajgonj.com/public_html/details.php on line 129

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩

আদা চাষে নতুন চমক! আগ্রহী হয়ে উঠছেন অনেকেই

আদা চাষে নতুন চমক! আগ্রহী হয়ে উঠছেন অনেকেই

রংপুরে বস্তায় আদা চাষ পদ্ধতিতে অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন। বস্তায় আদা চাষের জন্য আলাদা করে জমির প্রয়োজন নেই। বস্তা পদ্ধতিতে অতিবৃষ্টি বা বন্যায় ফসল ডুবে নষ্ট হওয়ার ভয়ও কম। 

আবার একটি ফসল তোলার পর সেখানে আলাদা করে কোনো সার ছাড়াই আরেকটি ফসল ফলানো যায়। উৎপাদন খরচ নেই বললেই চলে। সিমেন্ট বা আলুর বস্তায় আদা চাষের পরে হলুদ, শাক-সবজি ফলানোও সহজ। 

অনেকে আবার ছাদ বাগানেও আদার চাষ করছেন। ফলে অনেকেই বস্তায় আদা চাষ করে পরিবারের প্রয়োজন মিটানোর পাশাপাশি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

রংপুর কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে রংপুর জেলায় প্রায় ১ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আদা চাষ হয়েছে। এছাড়াও বস্তায় মাটি ভরাট করে আদা চাষ হয়েছে। 

এই পদ্ধতিতে একদিকে যেমন মাটিবাহিত রোগের আক্রমণ অনেক কমে যায়, অন্যদিকে প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলে বস্তা অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। বাড়ির উঠান, প্রাচীরের কোল ঘেঁষে বা বাড়ির আশপাশের ফাঁকা জায়গা অথবা ছাদে যেখানে খুশি রাখা যায়। এর জন্যে আলাদা কোনো জমি বা পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না।

সূত্রমতে, জুন-জুলাই মাসে আদা লাগালে ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে তোলার উপযুক্ত হয়ে যাবে। এক একটি বস্তায় তিনটি গাছ থেকে এক-দেড় কেজি পর্যন্ত ফলন পাওয়া যেতে পারে। আদা তুলে নেওয়ার পর সেখানে সবজি চাষ করা যেতে পারে। সে জন্যে নতুন করে মাটি তৈরি করারও দরকার নেই।

কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের একজন সৌখিন বস্তায় আদা চাষি সাংবাদিক নিতাই রায়। তিনি জানালেন, কৃষি বিভাগের পরামর্শে বাড়ির চারপাশে সাড়ে ৪ হাজার বস্তায় আদার চাষ করেছেন। এতে ব্যয় হয়েছে ৪০-৫০ হাজার টাকা। ৫০ থেকে ৬০ দিন বয়সী প্রতিটি বস্তায় ১০ থেকে ১৫টি আদার গাছ জন্ম নিয়েছে। তিনি আশা করছেন সাড়ে চার হাজার বস্তায় প্রায় সাড়ে ৪ টন আদা উৎপাদন হবে। এতে তার আয় হবে প্রায় চার লাখ টাকা।

বুড়িরহাট এলাকার অবসরপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা স্বপন চৌধুরী জানালেন, তিনি প্রতি বছর বাড়ির উঠানে এবং বাগানের গাছের ফাঁকে ফাঁকে প্রায় শতাধিক বস্তায় আদা চাষ করেছেন। এতে তার সংসারের সারা বছরের আদার চাহিদা মিটে যায়। এছাড়া বাড়তি আদা তিনি আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবদের দেন।

কবি হাই হাফিজ জানান, তিনি দুই বছর থেকে ছাদ বাগানে আদা চাষ করছেন। এখানে কোনো বাড়তি খরচ ও শ্রম নেই। তার বাড়ির আদার চাহিদা ছাদ বাগান থেকেই মিটছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি ঢাকার উপ-পরিচালক (এলআর) আবু সায়েম জানান, অনেকে সখের বসে বস্তায় আদা চাষ করলেও এই পদ্ধতি এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এভাবে বস্তায় আদা, হলুদ ও শাক-সবজি চাষ করা যায়।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

২৫ জুলাই ২০২৬ || ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১২৯জন

সর্বশেষ:

শিরোনাম: