• শনিবার   ২৬ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১২ ১৪২৯

  • || ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

যশোরে বাড়ছে মুখি কচুর চাষ, লাভবান হচ্ছে কৃষক

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২২  

একদিকে কম উৎপাদন খরচ অন্যদিকে ভালো মুনাফা হওয়ায় যশোরের চৌগাছায় বাড়ছে মুখিকচুর চাষ। ধান উৎপাদনে খরচ ও ঝুঁকি বেশি হওয়ায় লাভ হচ্ছে কম। এ কারণে কম খরচে ঝুঁকি ছাড়ায় মুখি কচু চাষ করে লভাবান হচ্ছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ মৌসুমে উপজেলায় ৪৩০ হেক্টর জমিতে মুখি কচুর আবাদ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় বছল ৫০ হেক্টর জমিতে বেশি চাষ হয়েছে।

উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের চাষি ফজলুর রহমান, পাঁচবাড়িয়া গ্রামের মুক্তার হোসেন, গোপালপুর গ্রামের খলিল ও রাজ্জাক জানান, এ বছর প্রতিবিঘা জমিতে লিজসহ সেচ, সার ও কিটনাশক দিয়ে মোট ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ করে ৫০ থেকে ৬০ মণ কচু উৎপাদন হয়েছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য ১ লাখ টাকারও বেশি।

চাষিরা জানান, ইরিধান চাষ করলে জমিতে বছরে দুটি ফসল হয়। অন্যদিকে, মুখি কচু চাষ করলে ভালোভাবে একই জমিতে ৩টি ফসল উৎপাদন করা সম্ভব।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা চাঁদআলী জানান, ইরি-বোরো ও আগাম মুখি কচু চাষ একই সময়ের ফসল। জানুয়ারি মাসে কচুর কন্দ জমিতে রোপণ করতে হয়। সঠিক পরিচর্যা করতে পারলে কোনোরকম ঝুঁকি ছাড়াই মে মাসের প্রথম দিকে বাজারজাত করা সম্ভব। অন্যদিনে, ইরিধান চাষে লাভ কম ঝুঁকি বেশি। এজন্য কৃষি অফিস থেকে বলা হচ্ছে, ইরিধানের চাষ কমিয়ে ফল ও সবজি আবাদ চাষ করতে। তাছাড়া, ভূগর্ভস্থ পানির উপরে চাপ কমাতে ইরি-বোরো আবাদ কমিয়ে আউশ ও আমন চাষে কৃষকদের উদবুদ্ধ করছে কৃষি বিভাগ। তবে গত দু বছরের করোনা প্রাদূর্ভাব মোকাবেলা করতে ধান চাষের উপরেও গুরুত্ব দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

চৌগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রইচ উদ্দীন জানান, মুখি কচু চাষে কোনো ঝুঁকি নেই। কৃষক জমিতে মুখী কচু রোপণ করে তুলনামূলক কম সময়ে বিক্রি করতে পারে। মুখি চাষে উৎপাদন খরচ খুব কম। পাশাপাশি রাসায়নিক সারের পরিবর্তে কৃষক জৈব (গোবর) সার ব্যবহার করলে উৎপাদন খরচ কম হবে।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ