• শনিবার   ২৬ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১২ ১৪২৯

  • || ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

নেই বৃষ্টি, তবুও মহাসড়কে যেন ছোট ছোট মাছ চাষের পুকুর!

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

ঢাকা রাজশাহী সড়ক যোগযোগের প্রধান মহাসড়ক টিই হচ্ছে হাটিকুম্রুল-বনপাড়া মহাসড়ক। আর সেই মহাসড়কটিই যেন অসুস্থতায় জীর্ন, দরকার সময়উপযোগী চিকিৎসা।

যোগাযোগের প্রধান মহাসড়ক হবার কারনে সকল ধরনের ভারী যানবহন ও চলাচল করে থাকে এই রাস্তাতেই। হাটিকুম্রুল থেকে খালকুলা পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার ও কার্পেটিং কাজ চললেও বাকি রাস্তার কাজের কোনো খবর জানেনা কেউ ই। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মহাসড়কের খালকুলা থেকে ৮ নাম্বার ব্রীজ পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা। ভারী যানবাহন চলা ও নতুন কোনো সংস্কার কাজ না থাকায় রাস্তায় তৈরি হয়েছে ছোট বড় অসংখ্য ভাংগা ও বড় বড় গর্তের। মহাসড়কের হামকুড়িয়া (মান্নান্নগর) চৌরাস্তা বাজারে গিয়ে দেখা যায় বাজারের উপরে অবস্থিত রাস্তার পূরোটা জুড়েই অসংখ্য ভাংগা ও ছোট বড় অসংখ্য গর্ত। আর প্রতিটা গর্ত দেখলেই যেন মনেহয় মাছ চাষের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে এক একটি জলাশয়। যার কারনে ভীষন ভাবে দুর্ঘটনা ঝুকিতে রয়েছে প্রায় প্রতিটি যানবাহন। শুধু যানবাহন ই নয় সেই সংগে ঝুকিতে থাকেন বাজারের রাস্তার পাশের দোকানদার ও চলাচল কারী পথচারিরাও। বাজারে গিয়ে স্থানীয় দোকানদার মো; রকমত আলী সহ অনেকের সংগে কথা বলে জানা যায় এটি ঢাকা রাজশাহীর প্রধান মহাসড়ক হবার কারনে প্রতিদিনই অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে থাকে। কিন্তু সেই হিসাবে মহাসড়কটির প্রতি কর্তপক্ষের সেরকম কোনো দৃষ্টি নেই বললেই চলে। প্রায় ১৯ বছর আগে রাস্তা টি উদ্ভোধন করা হলেও তারপরে আর তেমন ভাবে এর কোনো সংস্কার লক্ষ করা যায়নি। মাঝে মাঝে সড়ক ও জনপথ (সওজ) থেকে এসে প্রাথমিক ভাবে কিছু গর্ত ভরাট করা হলেও আবার দু, একদিনের মধ্যেই আগের মতোই হয়ে যায়। বর্ষাকাল বা বৃষ্টির সময় না হবার পরও গর্তে সর্বদা পানি জমে থাকার ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা বলেন, রাতে প্রচুর পরিমানে পানি ভর্তি মাছের ট্রাক চলাচল করার কারনে ঝাকিতে পানি পড়ে গর্ত গুলো পুকুরের রূপ নেয়। তারা অত্যন্ত আক্ষেপ নিয়ে বলেন পাশেই বসে দোকানদারী করতে হয় তাই সর্বদাই প্রাণ ঝুকিতে থাকি। এই বুঝি কোনো গাড়ী নিয়ন্ত্রন হারিয়ে দোকানের মধ্যে এসে চাপা না দেয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাস্তা খুবই বাজে ভাবে ভাংগা ও রাস্তায় অসংখ্য গর্ত থাকার কারনে বামের লেনের গাড়ি ডানে চলে যাচ্ছে আবার ডানের লেনের গাড়ি বামের লেনে। ফলে অপর দিক থেকে আসা যানবাহন বুঝেই উঠতে পারেনা যে কোনদিক থেকে কোনদিকে যাবেন। আবার দেখা যায় অনেক যানবাহন দূর থেকে গর্ত দেখতে না পেয়ে খুব কাছে এসে নিয়ন্ত্রন রাখতে ঝুকিতে পড়ে যান। এলাকাবাসীর দাবী এখনই রাস্তা ঠিক না করা হলে যেকোন মুহুর্তে ঘটে যেতে পারে বড় কোনো দুর্ঘটনা। মহাসড়কের পার্শ দুটি রাস্তা হলো চাটমোহর ও তাড়াশ উপজেলার প্রধান সড়ক। সে দুটি রাস্তাও যেন একই অবস্থা। লাখো মানুষের চলাচলের রাস্তা গুলোর এমন নাজুক অবস্থা সত্যিই খুব উদ্বেগজনক। তবে ছুটির দিন হওয়ায় কর্তপক্ষের কোনো বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ