সংগৃহীত
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর রং ও রাসায়নিক দ্রব্য মিশিয়ে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন এবং বাজারজাত করণের অভিযোগে হলুদ ও মরিচের ৬০ মণ গুড়া জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারীকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
রোববার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার ধাপেরহাট বকশিগঞ্জ এলাকার বড় ছত্রগাছা গ্রামে এই অভিযান চালায় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের গাইবান্ধার পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন।
এ সময় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় ও ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রোববার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বকশিগঞ্জ এলাকার বড় ছত্রগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বড় ছত্রগাছা গ্রামে খালেক পাইকারের হলুদ মিলে অভিযান ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় ওই কারখানায় হলুদ ও মরিচের গুঁড়ায় ক্ষতিকর রং ও ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য পান তারা। পরে হলুদ ও মরিচের ৬০ মণ গুঁড়া জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারীকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সূত্র আরও জানায়, হলুদ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য পরিচিত ধাপেরহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বিভিন্ন মিল স্থাপন করে কৃত্রিম রং ও রাসায়নিক দ্রব্য মিশিয়ে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া উৎপাদন করে বাজারজাত করে আসছিলেন। এতে সাধারণ ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি বাজারে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহও হুমকির মুখে পড়ছিল।
গাইবান্ধা জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন ঢাকা পোস্টকে বলেন, অভিযানে হলুদ ও মরিচের গুঁড়ায় মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর কাপড়ের রং, আটা, ধানের কুড়া ও রাসায়নিক দ্রব্যের মিশ্রণ পাওয়া যায়। এই অভিযোগে ওই উৎপাদনকারীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা ও ৬০ মণ ভেজাল হলুদ ও মরিচের গুড়া জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট











