মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩

রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল দালাল মুক্ত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল দালাল মুক্ত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

সংগৃহীত

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালকে দালাল মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

সোমবার (১১ মে) বিকেলে সদর হাসপাতালের সভাকক্ষে হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসাসেবা উন্নয়ন, জনবল সংকট নিরসন, রোগীদের ভোগান্তি কমানো এবং হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির এক সভায় তিনি এ কথা জানান।

সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (এমপি) বলেন, রাজবাড়ী জেলাবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সদর হাসপাতাল নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। জেলার একমাত্র এই হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটসহ নানান সমস্যা রয়েছে। এই সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা হবে।
এছড়া রাজবাড়ীতে আমরা একটি মেডিকেল কলেজ করার জন্য খুব দ্রুতই প্রস্তাব পাঠাব। মেডিকেল কলেজ হলে জেলার স্বাস্থ্য সেবার মান বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে কোনো দালালদের দৌরাত্ম থাকবে না। দালাল মুক্ত করা হবে সদর হাসপাতালকে। দালালদের তালিকা তৈরি করা হবে। হাসপাতাল প্রাঙ্গণ সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে এবং হাসপাতালের সৌন্দর্য বর্ধনে বাগান করা হবে। হাসপাতাল প্রাঙ্গণে কোনো বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স থাকতে পারবে না। মোটরসাইকেলগুলো নির্দিষ্ট জায়গায় থাকবে। এছাড়া ২৫০ শয্যা চালুর অনুমোদন দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ, কিন্তু হাসপাতালে লজিস্টিক কোনো সাপোর্ট নেই। এ বিষয়ে দ্রুতই সমাধান করার চেষ্টা করা হবে। হাসপাতালের সেবা বৃদ্ধির জন্য ও উন্নয়নের জন্য আমরা শক্ত অবস্থানে রয়েছি।

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. রাজিব দে সরকারের সঞ্চালনায় জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামসুল হক, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলী এস এম তৌহিদুল ইসলাম প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

সভায় হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে চিকিৎসক ও নার্স সংকট, ওষুধ সরবরাহ, রোগীদের সেবার মান বৃদ্ধি এবং জরুরি বিভাগের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, হাসপাতালকে একটি আধুনিক ও জনবান্ধব চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত করতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে রোগীদের প্রতি মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় মেডিকেল কলেজ করার সিদ্ধান্ত, হাসপাতালের ১২ তলা বিল্ডিংয়ের অবশিষ্ট ৪ তলা বিল্ডিং করার জন্য প্রস্তাব পাঠানো, নতুন ভবনের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি দ্রুত ক্রয়, চিকিৎসক সংকট নিরসন, আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগ বাড়ানো, হাসপাতাল প্রাঙ্গণে প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স থাকতে পারবে না, হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম কমানো, অ্যাম্বুলেন্স কাউন্টার করা, হাসপাতালে আনসার নিয়োগ, অ্যাম্বুলেন্স চালক সংখ্যা বৃদ্ধি করা, দালালদের তালিকা করা, মোটরসাইকেল নির্দিষ্ট জায়গায় পার্কিং করা, হাসপাতাল প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও বাগান করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

১২ মে ২০২৬ || ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১২৯জন