মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে এক বলেই ১৭ রান

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে এক বলেই ১৭ রান

সংগৃহীত

এক বলে ১৭ রান! শুনতে বিশ্বাস্যযোগ্য মনে না হলেও চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ এমনই এক অবিশ্বাস্য দৃশ্যের সাক্ষী হলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। যে এক বলের নাটকে কেবল কিউই বোলার ম্যাথু ফিশারই দিশেহারা হননি, বরং এক নিমেষেই বদলে গেছে ম্যাচের পুরো ভাগ্য। বাংলাদেশ জিতে গেছে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে।

১৮৩ রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম ১০.১ ওভারে ৭৭ রান তুলতেই তিন উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। এমতাবস্থায় মনে হচ্ছিল, নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পারবে না টাইগাররা।

এরপর থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। তাওহীদ হৃদয়, পারভেজ ইমন ও শামীম পাটোয়ারীর ছোট ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসে বদলে যায় দৃশ্যপট। শেষ আট ওভারে আসে ১০৬ রান, আর দুই ওভার হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা।

তবে ম্যাচের আসল নাটক জমে ওঠে ১৭তম ওভারের শেষ বলে। ম্যাথু ফিশারের করা সেই ডেলিভারিটি ছিল ওভারপিচড। শামীম সেটিকে ফ্লিক করে পাঠান বাউন্ডারিতে। কিন্তু বোলার নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করায় আম্পায়ার ডাকেন নো বল, অর্থাৎ ফ্রি হিট।

এরপর শুরু হয় একের পর এক নাটক। ফ্রি হিটের প্রথম বল হয় ওয়াইড। পুনরায় ফ্রি হিট করতে গিয়ে ফিশার ছোড়েন একটি বিমার, সেটিকেও বাউন্ডারিতে পাঠান শামীম। কোমরের ওপর উঠে যাওয়া সেই বলটিও নো বল হিসেবে ঘোষণা করেন লেগ আম্পায়ার গাজী সোহেল। আবার ফ্রি হিট।

তৃতীয়বারের চেষ্টায়ও রক্ষা পাননি ফিশার। এবার ওভারপিচড ডেলিভারিকে কাউ কর্নারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দৃষ্টিনন্দন ছক্কা মারেন শামীম। তাতে একটি বৈধ বল করতে গিয়ে মোট চারটি বল করতে হয় ফিশারকে। এই চার বলে আসে দুই চার, এক ছক্কা, সঙ্গে দুই নো বল ও একটি ওয়াইড। সব মিলিয়ে এক বলেই খরচ হয় ১৭ রান।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

২৮ এপ্রিল ২০২৬ || ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১২৯জন