রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

যে ছোট্ট ভুলের কারণে এয়ার কুলার আপনার জীবন কেড়ে নিতে পারে

যে ছোট্ট ভুলের কারণে এয়ার কুলার আপনার জীবন কেড়ে নিতে পারে

সংগৃহীত

যাদের এসি কেনার সামর্থ্য নেই, তারা অনেকেই বৈশাখের এই ভ্যাঁপসা গরম থেকে একটু স্বস্তি পেতে এয়ার কুলার ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, সামান্য একটু অসাবধানতার ফলে এই স্বস্তিদায়ক যন্ত্রটি আপনার মৃত্যুর কারণ হয়ে উঠতে পারে।

যেই তিনটি ভুলের কারণে এয়ার কুলার প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে 

১. পানি ভরার সময় সতর্ক হন
অনেকেই অলসতা করে কুলার চালু থাকা অবস্তায় তাতে পানি ভরেন। এটি সবথেকে বড় ভুল। পানি এবং বিদ্যুৎ এই দুটির রসায়ন মুহূর্তের মধ্যে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। তাই কুলারে পানি ঢালার আগে বা পরিষ্কার করার আগে অবশ্যই প্লাগটি সকেট থেকে সম্পূর্ণ খুলে নিন। ভেজা হাতে সুইচ বা প্লাগ স্পর্শ করা মানেই মৃত্যুকে ডেকে আনা।

২. ওয়্যারিং পরীক্ষা করুন
পুরোনো এয়ার কুলার আবার ব্যবহারের আগে ভালো করে তারের অবস্থা দেখে নেওয়া জরুরি। অনেক বছর পড়ে থাকার ফলে ইঁদুর বা অন্য কোনও কারণে তারের প্লাস্টিক আবরণ অনেক সময় ছিঁড়ে যায়। খোলা তার লোহার বডির সংস্পর্শে এলে পুরো যন্ত্রটিই বিদ্যুৎ পরিবাহী হয়ে যায়। বিশেষ করে যাদের বাড়িতে লোহার বডির পুরনো মডেলের কুলার আছে, তাদের বিপদের ঝুঁকি কয়েক গুণ বেশি থাকে। বর্তমান বাজারে যে ফাইবার বা প্লাস্টিক বডির শক-প্রুফ কুলার পাওয়া যায়, নিরাপত্তার খাতিরে সেগুলিই ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।  

৩. শকের লক্ষণ এড়ানো যাবে না
এয়ার কুলারের সুইচ দিতে গিয়ে কি মাঝেমধ্যে হালকা সুড়সুড়ি অনুভব করছেন? বা যন্ত্রের গায়ে হাত লাগলে সামান্য ঝটকা দিচ্ছে? যদি এমনটি হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে এটি বড় কোনও দুর্ঘটনার আগাম বার্তা। এই ছোট লক্ষণটিকে অবহেলা না করে তৎক্ষণাৎ কোনও দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ান দিয়ে পরীক্ষা করান। আর্থিং-এর সমস্যায় এই ধরনের ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি গোসল করে এসেই বা ভেজা শরীরে এয়ার কুলারের সুইচ ধরবেন না। পানি বিদ্যুতের সুপরিবাহী হওয়ায় ভিজে শরীরে শকের তীব্রতা অনেকটাই বেড়ে যায়। সবসময় শুকনো পায়ে এবং প্লাস্টিকের জুতা ব্যবহার করে কুলার চালানো উচিত।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ

অনলাইন জরিপ

২৬ এপ্রিল ২০২৬ || ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

উত্থাপিত ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই ও যুগোপযোগী করে সংসদে তোলার সরকারি সিদ্ধান্তকে আপনারা কি সমর্থন করেন ?

মোট ভোটদাতা: ১২৯জন