সংগৃহীত
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের শূন্য আসনে ভোটগ্রহণের কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আগামী ৯ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সম্প্রতি এই ছুটি ঘোষণা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামাং দ্য মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশনস (রুলস অব বিজনেস ১৯৯৬)’ অনুযায়ী মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের চাহিদার ভিত্তিতেই এ ছুটি কার্যকর হবে।
নির্বাচনের প্রেক্ষাপট
জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ শূন্য আসনে ভোটগ্রহণের দিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই আসনের ভোটগ্রহণ আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিজয়ী হন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পরে তিনি বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়ে ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে দেন। ফলে বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয় এবং নির্বাচন কমিশন পুনরায় ভোটের আয়োজন করে।
অপরদিকে, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মারা যাওয়ায় ১২ ফেব্রুয়ারি ওই আসনে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে এই আসনে ভোটগ্রহণ নির্ধারিত হয়েছে ৯ এপ্রিল।
প্রশাসনিক ব্যবস্থা
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাধারণ ছুটি নির্বাচনি এলাকার সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি অফিসে প্রযোজ্য হবে। স্থানীয় জনগণ ও ভোটারদের নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন শাখা সচিবালয় নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ভোটকেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ও ভোটারদের সুষ্ঠুভাবে ভোট দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
ভোটারদের নির্দেশনা
নির্বাচনের দিন ভোটাররা অবশ্যই ভোটকেন্দ্রে সময়মতো উপস্থিত হবেন। ভোটাররা ভোটার আইডি কার্ড অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখবেন। ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচনের দিন সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাধারণ ছুটি কার্যকর থাকবে।
নির্বাচন কমিশন আশা করছে, বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হবে। সাধারণ ছুটির মাধ্যমে ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে সহজে পৌঁছাতে পারবে।












