সংগৃহীত
গত জানুয়ারিতে রাবাতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে মরক্কোকে হারিয়ে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল সেনেগাল। কিন্তু রেফারির একটি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তাদের খেলোয়াড়রা মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণে কনফেডারেশন অব আফ্রিকান ফুটবল সপ্তাহখানেক আগে সেই ট্রফি কেড়ে নেয় ও মরক্কোকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতে আপিল করেছে সেনেগালিজ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। তাতে ট্রফি চূড়ান্তভাবে কার হাতে উঠছে, সেই বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত।
এই ট্রফি নিয়ে সেনেগালের খেলোয়াড়রা গতকাল (শনিবার) হাজারো ভক্তের সামনে বিজয় উৎসব করেছে। স্তাদে দে ফ্রান্সে পেরুর বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে নেমেছিল তারা। অধিনায়ক কালিদু কুলিবালির নেতৃত্বে ম্যাচের আগে ট্রফি নিয়ে মাঠে ঢুকে তারা দেশের দর্শক-সমর্থকদের সামনে উদযাপন করে। প্যারিসে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনেগালিজ প্রবাসীর বসবাস।
কদিন আগে ফ্রান্সের রাজধানীতে সেনেগালিজ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আব্দুলায়ে ফল বলেছিলেন, ফুটবল ইতিহাসের ‘সবচেয়ে জঘন্য ও অন্যায্য প্রশাসনিক ডাকাতির’ শিকার হয়েছে সেনেগাল। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ক্রীড়া আদালতে দেশটি তার খেলোয়াড়দের সম্মান রক্ষায় লড়বে বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।

সেনেগালের আইনি দল জানিয়েছে, দেশটি এখনো নিজেদের আফ্রিকার চ্যাম্পিয়ন মনে করে। সিএএফ-এর আপিল বোর্ড সেনেগালকে ‘ফাইনালে পরাজিত দল’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে এবং অতিরিক্ত সময়ে তাদের ১-০ গোলের জয় মরক্কোর ৩-০ ব্যবধানে জয়ের রূপান্তরিত হয়েছে।
চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পুনর্বহাল হতে এই সপ্তাহে সেনেগালের আপিল সিএএস-এ নথিভুক্ত হয়েছে। তবে এই রায়ের প্রক্রিয়া বেশ লম্বা। সেনেগালিজ সরকার এই আপিলের রায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে যেন হয়, সেই ব্যাপারে পদক্ষেপ নিচ্ছে। একই সঙ্গে সিএএফ-এর অভ্যন্তরে ‘সন্দেহজনক দুর্নীতির’ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে।
সিএএস-এ আপিলের শুনানি হতে সাধারণত কয়েক মাস লেগে যায় এবং এর রায় হতে আরও কয়েক সপ্তাহ বা মাসের অপেক্ষা। সেনেগালের আইনজীবীরা সিএএস-কে দ্রুততর প্রক্রিয়া শুরু করতে অনুরোধ করবেন এবং তাদের আশা, এই রায় দুই মাসের মধ্যে যেন মামলাটির নিষ্পত্তি হয় সেই ব্যাপারে সম্মতি দেবে মরক্কান ফেডারেশন ও সিএএফ।
এফএইচএম/
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট
.webp)

.webp)










