সংগৃহীত
পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ওপার বাংলার অভিনেতা জিতের উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তবে অভিনেতা নিজে এই গুঞ্জন নাকচ করে দিয়েছেন। জানিয়েছেন, একজন বিজয়ী জনপ্রতিনিধি ও হবু মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণের প্রতি সম্মান জানিয়েই তিনি ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই জিতের রাজনীতিতে আসা নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। বিশেষ করে রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন গেরুয়া উত্তরীয় ও সাদা পোশাকে শপথ অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দেয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিনেতা একটি লিখিত বার্তার মাধ্যমে তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তার কথায়, জয়ী দল এবং নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তাকে সম্মান জানিয়ে সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছি। একই সঙ্গে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছি।
কখনও কোনও রাজনৈতিক দলের প্রচারে যোগ না-দেওয়া ‘অরাজনৈতিক’ তারকা কেন রাজনৈতিক মঞ্চে? কৌতূহল ওঠে ব্যাপক। তার উত্তরও জিৎ দিয়েছেন।
নিজের অরাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করতে জিৎ ২০১১ সালের একটি উদাহরণও টেনেছেন। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, ২০১১ সালে মমতা ব্যানার্জির প্রথম শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানেও তিনি আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না হয়েও শুধুমাত্র আমন্ত্রণের খাতিরেই তিনি তখন গিয়েছেন এবং এবারও একই কারণে। তাই তার এই উপস্থিতিকে কোনো রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিচার না করার জন্য তিনি সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
সূত্র: ঢাকা পোষ্ট













