• শনিবার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ১১ ১৪২৭

  • || ০৯ সফর ১৪৪২

৪৮

তাড়াশে সরিষার বাম্পার ফলন

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

চলনবিল অধ্যাসিুত চলনবিলের বিভিন্ন উপজেলা জুড়ে সরিষার ক্ষেত হলুদ ফুল ঝড়ে যাওয়া পর এখন পাকা সরিষায় একাকার হয়ে গেছে। আর এ বছর সরিষার বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটছে হাসির ঝিলিক। 

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, এ বছর সিরাজগঞ্জের তাড়াশে আগাম জাতের উফসি জাতের সরিষা আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬ হাজার ১শত ১০ হেক্টর কিন্ত অর্জিত হয়েছে ৫ হাজার ২শত ৯০ হেক্টর জমি। 

সরেজমিনে দেখা যায়, এ বছর চলনবিলের তাড়াশ, উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর, ভাঙ্গুড়া, সিংড়া, গুরুদাসপুরসহ চলনবিলের মাঠে মাঠে সরিষার আবাদ হয়েছে। আর বাম্পার ফলনের পিছনে পোকার আক্রমণ থেকে সরিষা রক্ষা করতে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আগেই বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল বলে কৃষকরা জানান। তবে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কিছু ফলন কম হয়েছে। এক সময় চলনবিলের কৃষকরা শুধু বারো এক ফসলী আবাদ করে হাজার হাজার হেক্টর জমি পতিত রাখত। 

স্থানীয় কৃষকেরা জানান, কালের বিবর্তনের সাথে সাথে এ অঞ্চলের কৃষকদেরও বুদ্ধির বিকাশ ঘটেছে। এবছর কাচাপাকা সরিষা বাজারে উঠতে শুরু করেছে। প্রতিমণ সরিষার মুল্য প্রকারভেদে ১৩শত টাকা থেকে ১৫শত টাকা বিক্রী হচ্ছে। তবে শুকানো সরিষার দাম আরো বেশি হবে জানান উপজেলার নওগাঁ হাটে সরিষা বিক্রী করতে আসা কৃষক আব্দুল হাকিম। তাছাড়া বিঘা প্রতি ৩ থেকে ৫মণ করে সরিষা পাওয়া যাচ্ছে।  

এদিকে গত কয়েক বছর ধরে বন্যার পানি কম ও যত্রতত্র পুকুর খননের ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়াতে সরিষার আবাদ কিছুটা কম হয়েছে তাড়াশ উপজেলাতে। তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার নাহার জানান, এ বছর কৃষককে সরিষা চাষে ব্যাপক সচেতন করা হয়েছে। সরিষা চাষের পদ্ধতি ও পোকার আক্রমন হলে কি করনীয় সে বিষয়ে কৃষকদের সচেতন করেছেন। তাছাড়া কর্মকর্তারা সব সময় মাঠে থেকে কৃষককে সব ধরনের সহযোগিতা করে আসছেন। 

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর