• বৃহস্পতিবার   ৩০ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৬ ১৪২৯

  • || ৩০ জ্বিলকদ ১৪৪৩

কামারখন্দে বিঘায় ৫০ মন ফাতেমা জাতের ধান উৎপাদন

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৯ মে ২০২২  

সিরাজগঞ্জ কামারখন্দ উপজেলায় ইরি মৌসুমে ফাতেমা জাতের ধান চাষ করে বিঘা প্রতি ৫০মন ধান উৎপাদনের দাবী করেছেন এক কৃষক। উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক এবছর ৫০ শতক জমিতে ফাতেমা জাতের ধান চাষ করেছেন।

কৃষক আব্দুর রাজ্জাক জানান, ২০২১ সালে বগুড়া থেকে এ জাতের ধানের বীজ এনে ১০ শতক জমিতে প্রথম চাষ করে ফলন ভালো হওয়াতে এবছর ৫০ শতাংশ জমির মধ্যে আমার ৩৭ শতাংশ একটি জমির ধান কেটে পরিমান করলে ৫১ মন ধান হয়েছে। নতুন জাতের ফাতেমা ধানের বাম্পার ফলনের খবর শুনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধান বীজ বিক্রেতা পাইকাররা আমার কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করছে। স্থানীয় কৃষক সাদ্দাম হোসেন জানান, জমিতে নিজে এসে ফাতেমা জাতের ধান ভালো ফলন দেখে বীজ সংগ্রহ করে এবছর আমিও চাষ করবো সিদ্বান্ত নিয়েছি।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট আঞ্চলিক কার্যালয় সিরাজগঞ্জ সাইন্টিফিক অফিসার (এসও) সাইদী রহমান জানান, ফাতেমা জাতের ধানটি হাইব্রিডের একটি সেগ্রিগেটেড লাইন। এ জাতের ধান ধারাবাহিক ভালো ফলনের নিশ্চয়তা নেই। এটি বাংলাদেশের কৃষি বিজ্ঞানীগন গবেষনা করে কোন জাত হিসেবে এখনো স্বীকৃতি দেননি। সুতরাং অনুমোদনবিহীন কোন বীজ বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা বীজ আইন-২০১৮ অনুযায়ী বিধি সম্মত নয়। তাছাড়া বিগত বছরগুলোতে এধান চাষ করে অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এজাত হাইব্রিড থেকে এসেছে, যা এখনও গবেষনাধীন আছে। এতে কুশী কম ও উচু নিচু হয়, চিটা বেশী, ভাত সুস্বাদু নয় এবং ভাত রেখে দিলে নরম হয়ে যায়। এর চেয়ে উচ্চ ফলনশীল ব্রি ধান ৬৭,৭৪,৮৮, ৮৯, ৯২, ৯৬ এসব জাত চাষ করা অনেক ভাল। এগুলো বোরো মৌসুমের উচ্চ ফলনশীল ও পরীক্ষিত জাত।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ