• বুধবার   ২৯ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৫ ১৪২৯

  • || ২৯ জ্বিলকদ ১৪৪৩

তাড়াশে শেষ মুহূর্তে বিপনী বিতানগুলোতে উপচে পড়া ভীড়

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল ২০২২  

শনিবার (৩০এপ্রিল) বিকালে দেখা যায়, গার্মেন্টেসের দোকান গুলোতে নারী-পুরুষ ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষেরা শেষ মুহূর্তে কেনা কাটা সেরে নিচ্ছেন। তীব্র গরমকে উপেক্ষা করে ক্রেতা বিক্রেতায় বাজার এখন সরব। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, কেনাবেচা ততোই জমে উঠছে। শহরের বড় দোকান থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকান গুলোতে বেড়েছে বেচা-কেনা। গত দুই বছর করোনাকালীন সময়ে ঈদের আনন্দ ততোটা হয়নি। কিন্তু এ বছর করোনার প্রভাব কম হওয়ায় বেচাকেনা অনেকটা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন দোকানিরা।
এ বছর ছেলেদের পছন্দের তালিকায় জিন্স প্যান্ট, প্রিন্টের শার্ট, পাঞ্জাবি ও কাবলি সেট।

আর মেয়েদের পোশাকের মধ্যে সারাড়া-গাড়ারা এবং কাঁচা বাদাম, সাদা বাদাম, সাদা পরী, লাল পরি, পুস্পা পোশাকের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। তবে ক্রেতাদের মধ্যে নারী ও শিশুরাই বেশি। ক্রেতাদের পছন্দের বিষয় মাথায় রেখেই নতুন মডেলের পোশাক সংগ্রহ করেছেন দোকনিরা। ছেলেদের শেরওয়ানী ও পাঞ্জাবি ১৫০০ টাকা থেকে শুরু করে সাড়ে ৫ হাজার টাকা, বাচ্চাদের পোশাক ৮০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা। মেয়েদের ক্ষেত্রে ভারতীয় পোশাক সারাড়া-গাড়ারা, লেহাঙ্গা, ডিভাইডার ও থ্রি-পিস, কাঁচা বাদাম, ভাজা বাদাম, সাদা পরী, লাল পরি, পুস্পা দাম ৫০০ টাকা থেকে ৪৫০০ টাকার মধ্যে।

ঈদের কেনাকাটা করতে উপজেলার গাবর গাড়ী থেকে তিন মেয়েকে নিয়ে এসেছেন সোনালী বেগম । তিনি বলেন, ‘তিন মেয়েই বায়না ধরেছে, এবার ঈদে তাদের কাঁচা বাদাম ও পরী ড্রেস লাগবে। তাই আবদার পূরণ করতে কাঁচা বাদাম, ভাজা বাদাম ও লাল পরী ড্রেস কিনে দিলাম।’

পৌর বাজারের সরকার শপিং কমপ্লেক্সে সোনিয়া পারভীন নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘প্রতি বছরই ঈদের আগে নানা নামে পোশাক আসে। এবার কাঁচা বাদাম নামে এসেছে। শুনতে হাস্যকর লাগলেও ভালো লাগছে পোশাকটি কিনতে পেরে।’ কলেজ ছাত্রী উম্মে কুলসুম বলেন, ‘মার্কেটে ঘুরছি। এখনও পোশাক পছন্দ করতে পারিনি। বাজারে পোষাকের দামটা একটু বেশি। তাই এখনও কিনতে পারিনি।’

জান্নাতী ফ্যাশনের স্বতাধীকারী মাসুদ রানা জানান, করোনার কারণে গত ২ বছর দোকান ঠিকমতো চালু রাখা সম্ভব হয়নি। বেচাকেনা ছিল অনেক কম। এ কারণে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। এ বছর আমরা অনেক খুশি। রমজানের শুরু থেকেই বেচা বিক্রি হচ্ছে। এবার ক্রেতারা এসে তাদের পছন্দের পোষাক কাঁচা বাদাম, সারারা, জারারা পোশাক খোঁজে। এগুলোর চাহিদা ও বেচা বিক্রি বেশ ভালো।

তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদের বাজারে লোকজনের সমাগম বেশী হয়। আর ক্রেতাদের নির্বিঘ্নে কেনা কাটার জন্য সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পুলিশী টহল রাখা হয়েছে। এছাড়াও ক্রেতারা যেন শান্তি পূর্ণভাবে কেনাকাটা করতে পারে, তার জন্য শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান গুলোতেও পুলিশী টহল রয়েছে।

 

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ