• বুধবার   ২৯ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৫ ১৪২৯

  • || ২৯ জ্বিলকদ ১৪৪৩

ঐতিহ্যবাহী সলপের ঘোলের চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ৭ এপ্রিল ২০২২  

সিরাজগঞ্জে রমজান উপলক্ষে সলপের ঐতিহ্যবাহী ঘোলের দোকান গুলোতে চলছে জমজমাট ব্যবসা। রমজানের শুরু থেকেই ঘোলের চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুণ। উল্লাপাড়া ছাড়াও পার্শ্ববর্তী বেলকুচি, কামারখন্দ, সিরাজগঞ্জ সদর শাহজাদপুর উপজেলা থেকেও ক্রেতার প্রতিনিয়তই সলপ ষ্টেশনে ঘোল ও মাঠা কিনতে আসেন। প্রতি কেজি ঘোল বিক্রি হচ্ছে আগের মতই ৭০/৮০ টাকা এবং মাঠা বিক্রি হচ্ছে ৯০/১০০ টাকা ধরে।  

জানা যায়, ব্রিটিশ আমল থেকে তৎকালীন সলপ সান্যাল জমিদের পৃষ্ঠপোষকতায় সলপে ঘোলের কারখানা গড়ে ওঠে। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে সলপ থেকে ঘোল কলকাতায় যেতো। সেই সময় থেকেই সলপের ঘোলের খ্যাতি ছড়িয়ে রয়েছে ভারত ও বাংলাদেশে। এখনও সলপের ঘোল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা গুলোতেও চাহিদা রয়েছে।  

প্রযুক্তি ও সভ্যতার বিকাশে এখন ফ্রিজিং করে ঘোল পাঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে ক্রেতারা নিশ্চিন্তে ঘোল নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন স্থানে। সলপে এখন ৬/৭টি ঘোলের কারখানা রয়েছে প্রতিদিন ১ শত থেকে দেড় শত মণের বেশি ঘোল উৎপাদিত হয়। উৎপাদিত এ ঘোল নিয়মিতই বিক্রি হয়ে থাকে। কারখানার মালিকদের মধ্যে আব্দুল খালেক, আব্দুল মালেক, আব্দুর রাজ্জাকের কারখানায় বেশি ঘোল উৎপাদিত হয়ে থাকে বলে জানা গেছে। 

সিরাজগঞ্জ শহরের ঘোল ক্রেতা হাফিজুর রহমান, শাহানা পারভীন জানান, এই রোজায় প্রতিদিনই আমরা ঘোল কিনি। শহরের বিভিন্ন এলাকাতে সলপের ঘোল বিক্রি হচ্ছে। 

ঘোল বিক্রেতা আব্দুল খালেক জানান, রমজান মাসে তাদের ঘোলের চাহিদা অনেক বেশি। বিশেষত সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা ব্যবসায়ীরা এখান থেকে পাইকারি দরে ঘোল কিনে নিয়ে যায়। রমজান মাসে ঘোলের চাহিদা বাড়লেও দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। চলতি রমজানে প্রতিদিন শতাধিক মন ঘোল বিক্রি হবে বলে আশাবাদও ব্যক্ত করেন ঘোল ব্যবসায়ীরা। 

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ