• বুধবার   ২৯ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৫ ১৪২৯

  • || ২৯ জ্বিলকদ ১৪৪৩

চৌহালীতে দুর্গম চরে পরিদর্শনে কৃষি বিজ্ঞানী ড.এম এ রহিম

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ১০ নভেম্বর ২০২১  

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার দুর্গম চরে সোমবার তিনদিনের পরিদর্শনে এসেছেন  কৃষি বিপ্লবের মহানায়ক প্রফেসর ড. এম এ রহিম। দুর্গম চরকে কিভাবে কৃষকদের হাতের ছোঁয়ায় কৃষি বিপ্লব আসবে সেই লক্ষ্যেই এ পরিদর্শন।

প্রসঙ্গ: প্রফেসর ড. এম এ রহিম একজন সফল কৃষি বিজ্ঞানী। তার গবেষণা ও উদ্ভাবন ও সফলতার খবর এখন দেশ-বিদেশে। যাকে বলা যায় কৃষি বিপ্লবে এ সময়ের মহানায়ক। দীর্ঘ দিনের নিবিড় গবেষণায় ফলদ বৃক্ষের বিভিন্ন প্রজাতির ৭০ টি ফলের জাত আবিষ্কার করে জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক নিবন্ধন নিয়েছেন, যা বাউ জাত নামে পরিচিত।

আলোড়ন সৃষ্টিকারী বাউ-কুল ও বাউ ড্রাগন ফ্রুট তার অন্যতম উদ্ভাবন। তিনি বাংলাদেশে এশিয়ার সর্ববৃহৎ ও পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম ফলদ বৃক্ষের সংগ্রহশালা/ জার্মপ্লাজম সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছেন।

প্রফেসর রহিম বর্তমানে বাউ-জার্মপ্লাজম সেন্টারের পরিচালক। তিনি উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ এর উদ্যানতত্ত্ব শাখায় বৃক্ষ গবেষণা, বৃক্ষ সংরক্ষণ ও উদ্ভাবন বিষয়ে দীর্ঘ ৩২ বৎসর যাবত কর্মরত ছিলেন।"

 "ড. রহিম ১৯৯১ সাল থেকে প্রবীণ ও তরুণ, মেধাবী ও বুদ্ধিদীপ্ত গবেষকদের নিরলস গবেষণায় উদ্ভাবিত ৭০ টি প্রজাতির মধ্যে রয়েছে-আমের ১৭টি, পেয়ারার ১০টি, জাম্বুরার ৫টি, লিচুর ৪টি, কুল, কামরাঙ্গা, জামরুল, ড্রাগন ফল, লেবু ও সফেদার ৩টি করে জাত, লংগান ও তেঁতুলের ২টি করে জাত, জলপাই, আমলকি, লটকন, ডুমুর, মালটা, অরবরই, কদবেল, স্ট্রবেরী, কাজুবাদাম, কাঁঠাল, আমড়া ও রাম্বুটান।

৭০টি নিবন্ধনকৃত জাতের মধ্যে বাউকুল-১ বিপ্লব ঘটিয়েছে। বাউকুল -১ এর ৬ মাস বয়সের একটি গাছ থেকে ১০-৩০ কেজি পর্যন্ত কুল পাওয়া যায়। বাউ-কুলের সাফল্য অবাক হবার মতো।

বাউকুল এদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ অবদান রেখে চলছে বলে জানান এ কৃষি বিজ্ঞানী।"একান্ত আলাপচারিতায় এম এ রহিম জানান, দুর্গম চর অঞ্চলে চিনাবাদাম, মিষ্টি কুমড়ার পাশাপাশি ভুট্রাচাষে কৃষকদের  শলা পরামর্শ দেন ৷ দুর্গম ঘোষিত চৌহালী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা , কৃষিবিদ জেরিন আহমেদের  সফল কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন কৃষি বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. এম  এ রহিম।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ