• বুধবার   ২৯ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৫ ১৪২৯

  • || ২৯ জ্বিলকদ ১৪৪৩

চৌহালীতে ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনে ১৫৪ জনের কারাদণ্ড

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২১  

দেশের ৬টি অভয়াশ্রমসহ সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনব্যাপি চলেছিল জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষার অভিযান। গত ২৪ অক্টোবর অভিযানের ২২তম দিনের সফল সমাপ্তি করে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তর। এর মধ্যে যমুনা নদীতে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, নৌ-পুলিশ উপজেলা মৎস্য দপ্তর যৌথ বা এককভাবে এ পর্যন্ত ২৬টি অভিযান ও ২০টি মোবাইল কোর্টে প্রায় ২৩ লাখ ৭৩ হাজার মূল্যে ২ লাখ ৩২হাজার ৮০৩ মিটার কারেন্ট জাল জনসমক্ষে পুড়িয়ে ধ্বংস এবং জব্দকৃত ১৩,৫৫০ কেজি মা ইলিশ স্থানীয় মাদ্রাসা ও এতিমখানায় দেওয়া হয়।

উপজেলা ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের মনিটরিং কক্ষ থেকে ২৫ অক্টোবর সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। অভিযানের শেষ দিনে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সাহেদ আলী বলেন, সরকারি নির্দেশনা মতে গত ২৫ অক্টোবর রাত ১২ টার পর মা ইলিশ রক্ষার অভিযান শেষ হয়েছে।

তবে কারেন্ট জাল ব্যবহার করে জাটকা নিধন করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ১ নভেম্বর হতে ৩০ জুন পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে। মূলত: এটি মার্চ-এপ্রিল এ দু’ মাস হয়ে থাকে। কারেন্ট জালা দিয়ে জাটকা নিধনে সব্বোর্চ শাস্তি ১ থেকে দু‘বছর বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। প্রসঙ্গত, পদ্মা-মেঘনা ও যমুনায় ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। জাতীয় সম্পদ ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মিঠা পানিতে মা ইলিশকে ডিম ছাড়ার সুযোগ করে দিতেই অভিযান ছিল। এ সময় ইলিশের আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও পরিবহণ করা যাবে না।

নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অভিযানকালীন সময়ে একশ্রেণির অসাধু মৎস্য শিকারীগণ থেমে ছিলনা। তারা গোপনে নদীতে মাছ ধরে তা বিক্রি করতো। আর অভিযান সফল করতে কঠোর মনোভাব নিয়ে প্রতিদিনই নদী এবং মৎস্য আড়তে কঠোর অভিযান অব্যাহত রেখেছে ছিল টাস্কফোর্স সদস্যরা। প্রসঙ্গত, ইলিশের এ প্রজনন সময়ে সরকারের মানবিক খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় চলতি অর্থবছরে জেলেদের ভিজিএফ চাল বরাদ্দ করা হয়। এ সময় অভিযানে ছিলেন, চৌহালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অ:দ) আনিসুর রহমান, মৎস্য অফিসার মনোয়ার হোসেন ও জোষ্ঠ ক্ষেত্র সহকারী শফিকুল ইসলাম শফিক প্রমুখ।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ