• বৃহস্পতিবার   ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৭ ১৪২৯

  • || ১৮ রজব ১৪৪৪

মাদ্রাসা সুপারের প্রতারণায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না প্রতিবন্ধীর

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

উল্লাপাড়ায় প্রতিবন্ধী ছাবিনা খাতুনের দাখিল পরীক্ষা দেওয়া হলো না। শনিবার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের এই পরীক্ষা শুরু হয়েছে। প্রথমদিন ছিল কোরআন বিষয়ের পরীক্ষা। ছাবিনা উপজেলার হাজী আবেদ আলী মেমোরিয়াল মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী এবং আলীগ্রামের মোঃ ছাইদুর রহমানের মেয়ে।

ছাবিনা খাতুনের অভিযোগ সে ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে দাখিল শ্রেণির ছাত্রী হিসেবে তার মাদ্রাসার সুপার সুলতান মাহমুদের কাছে নিবন্ধন ও ফরম পূরণের জন্য ৭ হাজার টাকা দিয়েছেন। ইতোপূর্বে নিবন্ধনপত্র চাইলে সুপার তাকে এক বারে প্রবেশপত্র প্রদানের সময় দেওয়া হবে বলে জানান। আর সেই মোতাবেক গত বৃহস্পতিবার সে সুপারের কাছে গিয়ে নিবন্ধনপত্র ও প্রবেশপত্র চায়। সুপার সুলতান মাহমুদ উল্লাপাড়া কামিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশপত্র প্রদান করা হবে বলে জানান। শনিবার কামির মাদ্রাসায় পরীক্ষা দিতে এসে সে জানতে পারে তার মাদ্রাসা থেকে এ বছর কোন শিক্ষার্থীর দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণ করা হয়নি। এদিকে সুপার সুলতান মাহমুদকেও পরীক্ষা কেন্দ্রে ছাবিনা খুঁজে পায়নি। পরে সে পরীক্ষা দিতে না পেরে কান্নায় ভেঙ্গে পরে। শনিবারি ছাবিনা ইয়াসমিনের বাবা ছাইদুর রহমান দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রের সভাপতি ও উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে উক্ত সুপারের বিরুদ্ধে একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে হাজী আবেদ আলী মেমোরিয়াল মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার সুলতান মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ছাবিনা ইয়াসমিনের কাছ থেকে দাখিল পরীক্ষার নিবন্ধন ও ফরম পূরণের কোন টাকা নেননি বলে দাবি করেন। সুপার জানান তার মাদ্রাসাটি এমপিও ভুক্ত নয়। ছাত্রী ও শিক্ষক না থাকার জন্য মাদ্রাসাটি তিনি বন্ধ করে দিয়েছেন।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ