• বৃহস্পতিবার   ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৭ ১৪২৯

  • || ১৮ রজব ১৪৪৪

খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে তাড়াশ টেলিফোন অফিস!! সেবা থেকে বঞ্চিত গ্রাহক

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি ২০১৯  

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসটি চলছে খুড়িয়ে খুড়িয়ে। ১ লাইনম্যান, ১ ওর্য়াকার এবং ১ জন ক্যাবল জয়ন্টার (চলতি দায়িত্ব দিয়ে চলছে তাড়াশ টেলিফোন অফিস। জনবল সংকট,নিয়মিত অফিস না করার কারনে কাংখিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন গ্রাহকরা। অফিসটিতে জনবল কাঠামো ৫জন থাকার কথা থাকলেও কর্মরত আছেন ৩জন, তারা আবার সপ্তাহে দুদিনো অফিস করেন না।

 
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, উপজেলা টেলিফোন এক্সচেঞ্জটি আশির দশকে স্থাপিত হয়। স্থাপনের পর থেকেই ১৭৫ টি সংযোগ ছিল। বর্তমানে সংযোগ চালু রয়েছে  ৫০ টির মতো।এর মধ্যে ব্যক্তিগত রয়েছে ৫ টি, তা আবার বিকল অবস্থায় পড়ে আছে। জনবল সংকট কর্মকর্তাদের অফিস ফাঁকি,অব্যবস্থাপনা, টেলিফোন বিভাগের স্থাণীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অবহেলা, দিনের পর দিন সংযোগ বিকল থাকা, এ সব কারণে সরকারের লাভজনক প্রতিষ্ঠান অলাভজনকে পরিনত হচ্ছে। ফলে রাজস্ব হারাচ্ছে  সরকার । 


সরেজমিনে দেখা যায়, টেলিফোন এক্সচেঞ্জটির এলাকায় নিরাপত্তা প্রাচীর না থাকার কারণে গো-চারণ ভুমিতে পরিনত হয়েছে। গরু -ছাগল চড়ে বেড়াচ্ছে অবাদে। অফিস রুমে পরে আছে কয়েকটি ভাঙ্গা চেয়ার। ১ টি ভাঙ্গা টেবিল,তার উপর রাখা আছে ৩ টি বিকল টেলিফোন সেট ও একটি পুরাতন ময়লায় জরার্জিন রেজিষ্টার। ওয়াস রুমের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। ছাদের পলেস্টার ফেটে খসে পড়ছে। ভবণের ক্যাচি গেটটিও নড়বরে। রাত্রি হলেই মাদক সেবিদের অভয়ারণ্যে পরিনত হয় এলাকাটি।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জনবল সংকটের কারণে যে সংযোগ গুলো এখনও চালু রয়েছে তারা প্রয়োজনীয় সেবা না পাওয়ায় অনেক সংযোগ বিকল অবস্থায় পড়ে আছে। এ ব্যাপারে তাড়াশ  ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপার ভাইজার মো. হাসান আলী  বলেন, আমার অফিসের টেলিফোন লাইন মাসের ৩০ দিনের মধ্যে ২৫ দিনই বিকল হয়ে থাকে। ৫ দিন সংযোগ সচল থাকলেও কথা বলা যায় না। লাইনম্যানদের বার বার বলেও সময় মতো কাজ হয় না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নিয়োমিত বিলের কাগজও পাওয়া যায় না। ৩/৪ মাস পর পর বিলের কাগজ আসে। নির্দিষ্ট সময় বিলের কাগজ না পাওয়ায় জড়িমানা সহ বিল দিতে হয়। এবিষয়ে সিরাজগঞ্জ টেলিফোন এক্সচেঞ্জের জুনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক মো. আবুল কালাম বলেন, মোবাইল ফোন আসার ফলে টেলিফোন গ্রাহক দিন দিন কমে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল না থাকায় গ্রাহক কাংখিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নিরাপত্তা প্রাচীর না থাকার বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ