মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১

ভারতের তৈরি কাশির সিরাপ নিয়ে আবারও সতর্কতা জারি

ভারতের তৈরি কাশির সিরাপ নিয়ে আবারও সতর্কতা জারি

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ এবং মাইক্রোনেশিয়ায় ভারতের তৈরি দূষিত কফ সিরাপ সনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ডাব্লিউএচও জানিয়েছে, পাঞ্জাব ভিত্তিক ‘কিউপি ফার্মাচেম লিমিটেড’ এর  তৈরি ‘গুয়াইফেনেসিন টিজি সিরাপ’ পরীক্ষা করে অগ্রহণযোগ্য পরিমাণে ডাইথাইলিন গ্লাইকোল এবং ইথিলিন গ্লাইকোল পাওয়া গেছে। দুটি যৌগই মানুষের জন্য বিষাক্ত এবং মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তবে ডাব্লিউএচও বিবৃতিতে কেউ অসুস্থ হয়েছে কিনা তা নির্দিষ্ট করে বলেনি।

এর আগে গাম্বিয়া এবং উজবেকিস্তানে শিশু মৃত্যুর সঙ্গে ভারতে তৈরি কাশির সিরাপের সম্পর্ক আছে বলে জানা যায়। এর পরেই ডাব্লিউএচও সর্বশেষ সতর্কতা জারি করেছিল। আবারও এখন করল। কিউপি ফার্মাচেমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুধীর পাঠক বিবিসিকে বলেছেন, সকল নিয়ম মেনে এবং অনুমতি পেয়েই কম্বোডিয়ায় ১৮ হাজার ৩৪৬ বোতলের ব্যাচ রপ্তানি করা হয়েছে। তিনি বলেন, সিরাপগুলো কীভাবে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ এবং মাইক্রোনেশিয়ায় পৌঁছেছে তা তিনি জানেন না।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এই বোতলগুলো প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পাঠাইনি এবং এগুলো সেখানে যাওয়ার জন্য অনুমোদিত ছিল না। আমরা জানি না কোন পরিস্থিতিতে এই বোতলগুলো মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ এবং মাইক্রোনেশিয়ায় পৌঁছেছিল।’ কম্বোডিয়ায় ওষুধের ব্যাচ রপ্তানিকারী ফার্মের কাছে একটি আইনি নোটিশও পাঠিয়েছেন বলে জানান তারা।

ডাব্লিউএচও এক বিবৃতিতে বলেছে, সিরাপটি বুকে জমা কফ এবং কাশির লক্ষণগুলো উপশম করতে ব্যবহৃত হয়। সিরাপটি ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের ট্রিলিয়াম ফার্মা বাজারজাত করেছিল। বিবিসি ফোনে ট্রিলিয়ামের প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি। এই বিষয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘উল্লেখিত প্রস্তুতকারক বা বাজারজাত কেউই এই পণ্যগুলোর সুরক্ষা এবং গুণমান সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে নিশ্চয়তা দেয়নি।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

সর্বশেষ: