• মঙ্গলবার   ২৮ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৪ ১৪২৯

  • || ২৮ জ্বিলকদ ১৪৪৩

মারিউপোলে রুশ আল্টিমেটাম শেষ, লড়াইয়ের ঘোষণা ইউক্রেনের

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২২  

ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী মারিউপোলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর অবশিষ্ট অংশকে আত্মসমর্পণের জন্য রাশিয়ার দেওয়া আল্টিমেটাম শেষ হয়ে গেছে। আত্মসমর্পণের জন্য রাশিয়া সময়সীমা বেঁধে দিলেও তাতে ইউক্রেনীয় যোদ্ধারা সাড়া দেয়নি।

এই পরিস্থিতিতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কেউ আত্মসমর্পন করবে না এবং শহরে থাকা অবশিষ্ট সেনারা লড়াই চালিয়ে যাবে। রোববার (১৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

মস্কো বলছে, মারিউপোলের অবশিষ্ট ইউক্রেনীয় সেনাদের সবাই এখন এক বিশাল ইস্পাত কারখানার ভেতর অবস্থান করছে। রাশিয়া আরও বলছে, মারিউপোল শহর এখন প্রায় পুরোপুরি তাদের নিয়ন্ত্রণে। যদি মারিউপোলের পতন ঘটে, এটি হবে গত দুমাসের যুদ্ধে রাশিয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিজয়।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আজভস্টল ইস্পাত কারখানার ভেতর এখন প্রায় আড়াই হাজার ইউক্রেনীয় সেনা আছে। সেখান থেকে তাদের বের হওয়ার পথ বন্ধ করে রেখেছে রুশ বাহিনী। সংবাদমাধ্যম বিবিসি অবশ্য এসব দাবির সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।

রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী শনিবার একটি আল্টিমেটাম জারি করে জানায়, প্রতিপক্ষ যোদ্ধাদের রোববার মস্কোর সময় সকাল ৬টার মধ্যে অস্ত্র ফেলে দিতে হবে এবং দুপুর ১টার আগেই সরে যেতে হবে। তবে রোববার আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরও আত্মসমর্পণের বিষয়ে ইউক্রেনীয় যোদ্ধাদের সম্মতির কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি।

ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শামিহাল রোববার বলেছেন, মারিউপোলে অবশিষ্ট ইউক্রেনীয় বাহিনী এখনও লড়াই করছে এবং আত্মসমর্পণের বিষয়ে রাশিয়ার আল্টিমেটাম মানতে তারা অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তিনি বলেন, ‘শহরের পতন এখনও হয়নি।’

মারিউপোলের মেয়রের একজন উপদেষ্টা টেলিগ্রামে এক পোস্টে জানিয়েছেন, তাদের বাহিনী এখনও প্রতিরোধ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া ইউক্রেনের এমপি ওলেক্সি গনচারেনকোও বিবিসিকে বলেছেন, মারিউপোলে ইউক্রেনের সৈন্যরা রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করবে না। তিনি বলেন, ‘আমি গতকালই তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি জানি যে তারা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে।’

ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলের যুদ্ধে রাশিয়া তেমন সুবিধা করতে না পারার পর পূর্বের ডনবাস অঞ্চলের দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছিল। তবে এর পাশাপাশি তারা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাজধানী কিয়েভে এবং অন্যান্য এলাকায় হামলা অব্যাহত রেখেছে।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ