• মঙ্গলবার   ২৮ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৪ ১৪২৯

  • || ২৮ জ্বিলকদ ১৪৪৩

প্রতি তিন বছর পরপর ডিভোর্স দিয়ে আবারও বিয়ে করেন যে দম্পতি

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ৭ এপ্রিল ২০২২  

কথায় আছে, লাখ কথায় বিয়ে। আপনাদের কি মনে হয় এটা কি শুধু কথার কথা? না, কখনোই নয়। কারণ বিয়ের বন্ধনে একবার বাঁধা পড়লে কাঁধে এসে পড়ে অনেক দায়িত্ব। আর সেই সব দায়িত্ব পালন করতে হয় দম্পতিকে। নিজেদের দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গে থাকে পরিবারের প্রতি কর্তব্য।

তবে সম্প্রতি এক জাপানি দম্পতি বিয়ের পরে এমন এক কান্ড ঘটিয়েছেন যা শুনলে আপনি হতবাক হয়ে যেতে পারেন। বিয়ের পরেও ঐ দম্পতির আচরণ বেশ শিশুসুলভ। সেই দম্পতি একে অপরকে বিয়ে করেছেন ঠিকই, তবে তারা তাদের আসল পদবি ছাড়তে চাননি। আর তখন এই দম্পতি এমন একটি অদ্ভুত উপায় বের করলেন যা বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল।

জানা যায়, জাপানের রাজধানী টোকিওর নিকটবর্তী হাচিওজি শহরে ঐ দম্পতির বাস। দম্পতি কয়েক মাস একে অপরকে ডেট করেছিলেন এবং তারপরে তারা দুজন দুজনকে বিয়ে করার জন্য মনস্থির করেছিলেন। তবে তারা তাদের উপাধি সম্পর্কে খুব সংবেদনশীল এবং কিছুটা আজব মনোভাবসম্পন্ন।

তাই বিয়ের আগে দুজনের পদবি নিয়ে মনোমালিন্য শুরু হয়ে যায় এই দম্পতির মধ্যে। স্বামী বলেছিলেন যে বিয়ের পর, স্ত্রী স্বামীর পারিবারিক উপাধি গ্রহণ করুক (জাপানি দম্পতির শেষ নাম ইস্যু), অন্যদিকে স্ত্রী কিছুতেই তার উপাধি ত্যাগ করতে রাজি হননি। উপাধি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের জন্য স্বামী স্ত্রী উভয়েই তাদের বন্ধুদের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন কিন্তু তার কোন সমাধান খুঁজে পাননি।

ঠিক সেই সময় ঐ দম্পতি আরেক দম্পতির কথা জানতে পারেন যাদের একই ধরনের সমস্যা ছিল এবং তাদের গৃহীত পদ্ধতি নিজেরাও অবলম্বন করেন। কী সেই পদ্ধতি? দম্পতি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তারা উভয় উভয়ের উপাধি গ্রহণ করবেন তবে স্বল্প সময়ের জন্য। এমন ইচ্ছের কারণেই এই দম্পতি তিন বছর পর পর পরস্পরকে তালাক দিয়ে আবার বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন।

২০১৬ সালে, এই দম্পতি প্রথমবার বিয়ে করেন। তারপর দুজনেই স্বামীর উপাধি গ্রহণ করেন। এর পরে, ২০১৯ সালে, তারা একে অপরকে ডিভোর্স দিয়ে দেন এবং তারপর একে অপরকে বিয়ে করে নেন এবং দুজনেই স্ত্রীর উপাধি গ্রহণ করে। এই বছরের জুলাইয়ে তারা আবার বিবাহবিচ্ছেদ করতে চলেছেন তৃতীয় বারের মতো। এই বিবাহ বিচ্ছেদের পরে স্ত্রী আবার আগামী তিন বছরের জন্য স্বামীর উপাধি গ্রহণ করবেন।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ