• বৃহস্পতিবার   ০৬ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ২১ ১৪২৯

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

কলেজ ছাত্রের পেয়ারা ও বরই মিশ্র চাষে ব্যাপক সফলতা

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২  

বগুড়া শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের মেধাবী ছাত্র  ও তরুন উদ্যোক্তার পেয়ারা বরই চাষে সফলতা। আয় করছে বছরে লক্ষ লক্ষ  টাকা।পেয়ারার ও বরই মিশ্র বাগান করে বছরে পাঁচ লক্ষ টাকা আয় করছে কলেজ ছাত্র । কথাটি শুনে অবাস্তব মনে হলেও সেটিকে বাস্তবতায় পরিণত করেছেন বগুড়া শেরপুরের কলেজ ছাত্র নাজমুল হক।  তিনি আশি শতক  জমিতে পেয়ারা ও বরই চাষ করে বছরে আয় করছেন পাঁচ  লক্ষাধিক টাকা।

অল্প ব্যয়ে অধিক মুনাফা হওয়ায় পেয়ারা ও বরই  চাষে খুব লাভবান হয়েছেন। তিনি উপজেলার খামারকান্দি  ইউনিয়নের নজরুল ইসলামের ছেলে নাজমুল হক।

নাজমুল হক,সকরকারী শাহ সুলতান কলেজের অনার্স ৩য় বর্ষের ইংরেজি  বিভাগের ছাত্র ও তরুন উদ্যোক্তা ।লেখাপড়ার পাশাপাশি তার বাবার জমিতে বরই ও পেয়ারা মিশ্র চাষে সফলতার মুখ দেখছেন। ৮০ শতাংশ  জমিতে বল সুন্দরী, কাশ্মীরি ও পেয়ারা চাষ করে এ বছরে ৫ লক্ষ  টাকা লাভবান হওয়ার সম্ভবনা দেখছেন।তার দেখাদেখি  এলাকার আরো অনেক তরুনরা মিশ্র  ফল চাষ শুরু করেছে। একই জমিতে বরই ও পেয়ারা চাষ লাভজনক।কম খরজে বেশি লাভ করা যায়।

নাজমুল হক  বলেন,তার বাগানে প্রায় ৭০০ টি বরই ও ৮০০ টি পেয়ারা গাছ আছে। প্রতিটি বরই গাছে ৩০ থেকে ৪০ কেজি করে বরই ও পেয়ারা গাছে ৪০ থেকে ৫০ কেজি পেয়ারা রয়েছে। প্রতি বছর নাজমুল হকের  বাগানে  খরচ হয় ৫০ থেকে ৬০; হাজার টাকা।পেয়ারার দাম ভালো থাকায় ও চাষে পরিশ্রম কম হওয়ায় এটি অধিক লাভজনক।তাছাড়া বছরের ৩/৪ মাস সময়ের মধ্যে  বরই থাকে,আর বাকি সময় পেয়ারা থাকে। ২ টি বরই গাছের মাঝখানে ১ টি করে পেয়ারা গাছ লাগানো আছে। পেয়ারা কমবেশি সারা বছর থাকায় কোন সমস্যা  হয় না।আর বরইয়ের সময়  পেয়ারার ডাল ছাটাই করে দেই। এতে বরইয়ের ফলন ভালো হয়।

নাজমুল হকের ফলের মিশ্র চাষ দেখে  গ্রামের অনেক ছাত্র লেখাপরার পাশাপাশি  জমিতে আপেল কুল, কাশ্মীরি বরই চাষ করে ব্যাপক সফলতা অর্জন করছেন। মিশ্র ফল  চাষে সফলতা দেখে আশেপাশের  এলাকা থেকে লোকজন দেখার জন্য ভীর জমাচ্ছে।

খামারকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান   আব্দুল মমিন মহসিন বলেন,এবার ইউনিয়নে প্রায় ৫০ থেকে ৬০একর জমিতে বরই চাষ হয়েছে, বরই চাষ খুব লাভজনক। আর এটি মিশ্র ভাবে চাষ করা যায়।বরই, পেয়ারা সহ জমিতে মশলা আদা ও হলুদ চাষ করছেন অনেক  কৃষক।চেয়ারম্যান আরো বলেন বেকারত্ব  দূর করতে ও অর্থনৈতিক সাভলম্বীর জন্য   নাজমুল হকের  নতুন চিন্তাধারার মাধ্যমে  ইউনিয়নে বেকার যুবকে কমছে।পাশাপাশি  স্থানিয় বাজারে বরই এর চাহিদা মেটাচ্ছে।

মিশ্র পদ্ধতিতে চাষ সহজ,উৎপাদন খরচ কম,বাজারে চাহিদা ভালো পাওয়ায় বরই, পেয়ারা ও মাল্টা মিশ্র চাষে  আগ্রহী হচ্ছে তরুন ছাত্র সমাজ।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ