• বুধবার   ২৬ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১৩ ১৪২৮

  • || ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

পরীমনি: কখনো বাদী কখনো বিবাদী

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ২ ডিসেম্বর ২০২১  

ঢালিউডের ডানাকাটা পরী খ্যাত অভিনেত্রী পরীমনি। নিজের নামের মতোই অভিনয় আর রূপ দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি। কিন্তু গেলো কয়েকটা মাস পরীর জীবনে ভালো সময় কাটেনি। মাদক মামলায় জড়িয়ে তাকে সাজা ভোগ করতে হয়েছে আবার কখনো বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও যৌন হয়রানির অভিযোগে তাকে ঘুরতে হয়েছে থানায় থানায়। বলা চলে কখনো পরীমনি হয়েছেন বাদী আবার কখনো বা বিবাদী।

যদিও এসব নিয়ে খুব বেশি বিচলিত পরী। বরং নিজের সিনেমার কাজেই ধ্যান মগ্ন হয়ে থাকতে পছন্দ করেন তিনি। বিচার কার্যের আনুষ্ঠানিকতার কারণেই তাকে হাজির হতে হয় আদালত পারায়। এ যেন পরীর জীবনের এক নয়া অভিজ্ঞতা।

ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে চলচ্চিত্র পরীর দায়ের করা মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে শুনানিতে ১ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় হাজির হন তিনি। এদিন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এ তাকে যেতে হয়।

গত ৬ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. কামাল হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে উত্তরা ক্লাব লিমিটেডের সাবেক সভাপতি নাসির ইউ মাহমুদ ও তার সহযোগী তুহিন সিদ্দিকী অমিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে (এফআইআর) শাহ শহিদুল আলমের নাম না থাকলেও তদন্তের সময় সম্পৃক্ততা পাওয়ায় পুলিশ অভিযোগপত্রে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করে।

আসামিদের মধ্যে নাসির ও অমি জামিনে আছেন এবং শহিদুলকে অভিযোগপত্রে ‘পলাতক’ দেখানো হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা শহিদুলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা দেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেন।

গত ১৪ জুন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসির, অমি এবং আরো চার জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন পরীমনি।

অন্যদিকে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় পরীমনিসহ অন্য দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলাটি বিশেষ জজ আদালত ১০-এ বদলি করা হয়েছে। পরবর্তী চার্জ গঠনের জন্য আগামী ১৪ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ