সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১

কাঁচা চামড়া সংগ্রহের জন্য ২৭০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

কাঁচা চামড়া সংগ্রহের জন্য ২৭০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

সংগৃহীত

মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহায় প্রায় এক কোটি পশু কোরবানি দেওয়া হয়। এ মৌসুমে সংগ্রহ করা এই কাঁচা চামড়ার বাজারমূল্য প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কোরবানির পশুর চামড়া ক্রয় ও কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে ট্যানাররা ২৭০ কোটি টাকা ব্যাংকঋণ পাবে। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। নির্ধারিত এ ঋণের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় ১০ কোটি টাকা বেশি। 

এরইমধ্যে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) গত বছরের চেয়ে বেশি ঋণ সহায়তা চেয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে।

গত বছর ব্যবসায়ীরা অন্তত ৫০০ কোটি টাকা ঋণ চাইলেও পেয়েছেন তার মাত্র অর্ধেক, ২৫৯ কোটি টাকা। তবে ২০২২ সালে ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল, ৪৪৩ কোটি টাকা।

গত ১২ মে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সভাপতিত্বে এক সভায় বিটিএ সভাপতি মো. শাহীন আহমেদ বলেন, কাঁচা চামড়া ক্রয় ও সংরক্ষণের জন্য কোরবানির আগে বার্ষিক যে ঋণ দেওয়া হয়, এটা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। শিল্পমন্ত্রী আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন, পর্যাপ্ত ঋণ দিতে মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দেবে।

তিনি আরো বলেন, চামড়া একটি পচনশীল পণ্য, যা দ্রুত সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হয়। সারা দেশ থেকে বিভিন্ন আড়তের মাধ্যমে সংগৃহীত চামড়া কিনতে হয়— যার জন্য নগদ টাকা প্রয়োজন হয়, কারণ মৌসুমী ব্যবসায়ীরা চামড়া কিনে আড়তে বিক্রি করেন। ট্যানারি মালিকরা নিজস্ব ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দিয়ে ব্যবসা করলেও কোরবানির সময় বেশি নগদ অর্থের প্রয়োজন হয়, যা নিজস্ব ফান্ড থেকে ম্যানেজ করা সম্ভব হয় না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আমরা ব্যাংকগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। প্রতিবছর যেসব ব্যাংক এই খাতে ঋণ দেয়, তারা এবার ২৭০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। ট্যানারিগুলো এই ঋণ নিয়ে অনেক সময় ঋণ যথাসময়ে ফেরত দেয় না। এই খাতে ব্যাপক পরিমাণে ঋণ খেলাপি অবস্থায় রয়েছে। যার কারণে ব্যাংকগুলোরও ইচ্ছে কম এই খাতে বিনিয়োগ করা।

সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ

সর্বশেষ: