• শনিবার   ২৮ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৪ ১৪২৯

  • || ২৭ শাওয়াল ১৪৪৩

২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ এসডিজি অর্জন করবে

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০২২  

২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। তিনি বলেন, তিনি বলেন, ‘এসডিজির একটি শক্তিশালী নিয়ম হলো, সমাজের প্রতিটি মানুষকে সুরক্ষার স্থানে রাখা। যেটিকে আমরা বলি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ। অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণ হলো এসডিজির শক্তিশালী উপাদান। বিশ্ববাসীকে আমরা জানাতে চাই, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের অপরাপর জাতির সঙ্গে একতালে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করবে।’

শুক্রবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল অডিটোরিয়ামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভিদবিজ্ঞান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (ডুবা) ষষ্ঠ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, ‘মুজিববর্ষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আমাদের দৃঢ় প্রত্যয় ছিল মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের আমরা যেন সামাজিক সুরক্ষা বলয়ে নিয়ে আসতে পারি। আজকে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীকে বৃত্তি কার্যক্রমে এনেছে। এটি আমার খুবই ভালো লেগেছে। সে জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সীমা নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গৌরবান্বিত ও সম্মানিত যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। একইভাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাও এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিলেন।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ. কে. আজাদ। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভিদবিজ্ঞান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. মো. আতহার উদ্দিন, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান শামীম শামশী প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন ডুবা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আবুল বাশার।

এর আগে সকালে উপাচার্য পুনর্মিলনীর উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পরে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন তিলাওয়াত এবং গীতা, বাইবেল ও ত্রিপিটক পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর উদ্ভিদবিজ্ঞানের প্রয়াত অধ্যাপকদের জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ৫৮ জন শিক্ষার্থীকে এককালীন ১২ হাজার টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হয় এবং বিভাগের তিন জন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হয়। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, ‘গাছপালা নিয়ে পড়াশোনা করেছি। ফলে একটি সহজাত ভালোবাসা আমাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে। এখনও একইভাবে আমরা মিলেমিশে প্রত্যেকে যার যার অঙ্গনে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের যেভাবে উন্নয়ন হচ্ছে, দারিদ্র্য কমে যাচ্ছে। এই উন্নয়ন ধরে রাখতে হলে আমাদের সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে।’

এ. কে. আজাদ বলেন, ‘আমি ৬ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের দায়িত্ব পালন করেছি। এই মাসে আমার দায়িত্ব পালন শেষ হবে। যত শিক্ষার্থী বৃত্তির জন্য আবেদন করেছেন সবাইকে বৃত্তি দেওয়া হয়েছে, এটা ভালো দিক। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই থেকে প্রতিবছর ১২শ শিক্ষার্থীকে ৪ কোটি টাকা বৃত্তি দিই। শতবর্ষকে উপলক্ষ করে আমরা সাড়ে ১০ কোটি টাকার ফান্ড সংগ্রহ করেছি। আমাকে অনেকে বলেছেন, ৩ হাজার টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেছি, অনুষ্ঠানে কী দিলেন। সবাইকে তো আসলে ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না। আমরা চেয়েছি এটি আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুদান হিসেবে দেব। বিশ্ববিদ্যালয় সেটি রিসার্চ বা উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করবে।’ এ সময় তিনি ঢাবি উদ্ভিদবিজ্ঞান অ্যালাইমনাই অ্যাসোসিয়েশনকে ২৫ লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা দেন।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ