• মঙ্গলবার   ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৮ ১৪২৯

  • || ১০ রজব ১৪৪৪

দুদকের হস্তক্ষেপে ৮ মাস পর অনুদানের টাকা পেলো চা শ্রমিকরা

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ১২টি চা বাগানের শ্রমিকরা প্রায় ৮ মাস পর তাদের জন্য নির্ধারিত সরকারি অনুদানের ১ কোটি ২৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা দুর্নীতি দমন কমিশনের হস্তক্ষেপে হাতে পেয়েছেন।

দুদকের সূত্রে জানা গেছে, রাজনগর উপজেলার ৩ ইউনিয়নের ১২টি চা বাগানের ২৪৭৮ জন শ্রমিকের অনুকূলে বাৎসরিক এককালীন সরকারি বরাদ্দকৃত টাকা স্থানীয় রাজনৈতিক কারণে বিতরণ করা যাচ্ছিল না। চা শ্রমিকদের এ দুর্ভোগের কথা দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী’র গোচরে আসলে তিনি দ্রুত চা শ্রমিকদের পাওনা অর্থ প্রদানে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

মুনীর চৌধুরীর নির্দেশে দুর্নীতি দমন কমিশনের হবিগঞ্জের সহকারী পরিচালক মো. এরশাদ মিয়া ও  উপসহকারী পরিচালক মো. আব্দুল মালেকের সমন্বয়ে একটি এনফোর্সমেন্ট দল গত ২১ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাক্ষাৎ করে শ্রমিকদের অর্থ পরিশোধে বাঁধাসমূহ চিহ্নিত করেন। একইসঙ্গে সেসব সমস্যা নিরসনে প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার দুর্নীতি দমন কমিশনের নির্দেশনা পেয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে গত ২৪ জানুয়ারি ১৭৩৩ জনকে তাদের প্রাপ্য ৮৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেন।

এছাড়া ৬নং টেংরা ইউনিয়নে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে প্রায় ৭৪৫ জন সুবিধাভোগীর তালিকা সংগ্রহ করে তাদের নামে পৃথক ব্যাংক হিসাব খুলে টাকা পরিশোধের কার্যক্রম গ্রহণ করেন।

এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক (প্রশাসন) ও এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, চা শ্রমিকদের প্রাপ্য অর্থ আটকিয়ে রাখা ক্ষমতার অপব্যবহার, যা দুর্নীতির নামান্তর। এক্ষেত্রে  চা শ্রমিকদের জন্য বাত্সরিক বরাদ্দকৃত অর্থ বিতরণ না করা শুধু ক্ষমতার অপব্যবহার নয়, মানবাধিকারেরও লঙ্ঘন।

তিনি আরো বলেন, শ্রমিকদের অর্থ আটকে রাখা মারাত্নক অন্যায়, যা সুশাসনের অন্তরায়। স্থানীয় প্রশাসন দুর্নীতি দমন কমিশনের আহ্বানে সাড়া দেয়ায় তাদেরকে ধন্যবাদ। দুর্নীতি দমন কমিশন সুশাসন শক্তিশালী করতে চায়, একইসঙ্গে সুশাসনের সুফল মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে চায়।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ