• বৃহস্পতিবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৯

  • || ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

নীলফামারীতে আগাম আলু তোলার উৎসব, দামে খুশি কৃষকরা!

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০২২  

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। আগাম আলুর বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক। আগাম আলুর বাজারদর ভালো থাকায় কৃষকের চোখে মুখে হাসি ফুটেছে।

জানা যায়, আবহাওয়া ভালো থাকায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ সহ আশেপাশের অন্যান্য জেলায় আগাম আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। জমি থেকে আগাম আলু তোলার উৎসবে মেতেছে কৃষকরা। তবে এক সাথে সকল চাষিদের জমিতে আলু তোলার ফলে শ্রমিকের জন্য বাড়তি মজুরি গুনতে হচ্ছে কৃষকদের। এই জেলার আগাম আলু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ট্রাকে করে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়।

কিশোরগঞ্জ কৃষি অফিস সূত্রমতে, এবছর সাড়ে ৪ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও কৃষকরা এর থেকে বেশি জমিতে আলুর চাষ করেছেন। আবাহাওয়া ভালো থাকায় আলুর ব্যাপক ফলন হয়েছে। বর্তমান বাজারে প্রতিকেজি আলু ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলার বাহাগিলি ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুঠির কৃষক আনারুল ইসলাম বলেন, এবছর আমি ১৫ বিঘা জমিতে আগাম আলুর চাষ করেছি। ইতোমধ্যে ২ বিঘা জমির আলু তোলা হয়েছে। এই ২ বিঘায় আলু চাষে আমার ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। পাইকারদের কাছে আলু বিক্রি করে প্রায় ৪০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সবার একসাথে আলু তোলার কারণে শ্রমিকের মজুরি বেশি দিতে হচ্ছে। উপজেলার সর্বত্র নারী ও পুরুষ শ্রমিকরা আলু তুলছেন। পুরুষ শ্রমিককে ৪০০-৫০০ টাকা ও নারী শ্রমিককে ২০০ টাকা মজুরী দিতে হয়।

উপজেলার দুরাকুঠি গ্রামের আদর্শ আলু চাষি আলম হোসেন বলেন, আমরা প্রতিবছর আলুর আবাদ করছি। এই জেলার কৃষকরা আলু চাষে নিজেদের অর্থনৈতিক পরিবর্তন করেছে। আমরা আলুর আবাদ না করলে অভাবগ্রস্থ হতে হতো।

কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, আগাম জাতের আলু চাষ করে কৃষকরা লাভবান হতে পারছে। রোপনের ৫৫ দিনেই আলু বাজারজাত করা যায়। আর জমি থেকেই পাইকাররা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। আর আগাম আলুর ভালো দাম পাওয়ায় দিন দিন আগাম আলুর চাষ বাড়ছে।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ