• মঙ্গলবার   ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৮ ১৪২৯

  • || ১০ রজব ১৪৪৪

ঈশ্বরদীতে গাজরের ব্যাপক ফলনে কৃষকের মুখে হাসি!

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ১১ নভেম্বর ২০২২  

পাবনার ঈশ্বরদীতে গাজরের ব্যাপক ফলন হয়েছে। এই উপজেলার মাটি খুব উর্বর। উঁচু জমিতে গাজরের চাষ ভালো হয়। গাজর চাষে রোগ বালাই কম, স্বল্প শ্রম, উৎপাদন বেশি এবং দাম ভালো পাওয়ায় গাজর চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকের। এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গাজরের ভালো ফলন হয়েছে। জমি থেকেই গাজর বিক্রি করতে পারছেন বলে জানায় কৃষকরা।

জানা যায়, পাবনা ঈশ্বরদীর ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া লক্ষীকুণ্ডা, সাহাপুর ও সলিমপুরে গাজরের চাষ হচ্ছে। গাজর চাষে রোগ বালাই কম, স্বল্প শ্রম, ও উৎপাদন বেশি হয়। পাশপাশি বাজারদর ভালো থাকে বলে কৃষকরা গাজর চাষে ঝুঁকছেন। শ্রমিক, সার, বিষ, সেচ সব মিলিয়ে এক বিঘা জমিতে গাজর চাষ করতে চাষিদের খরচ হচ্ছে ৪৫-৫০ হাজার টাকা। মৌসুমে একই জমিতে দুবার গাজরের আবাদ হয়ে থাকে। গাজর জমিতে থাকতেই বেপারিরা এসে একটা দাম ধরিয়ে জমির গাজর কিনে নেন বলে জানান স্থানীয় কৃষকরা।

চাষিরা বলেন, বিঘা প্রতি ১০০-১২০ মণ গাজরের ফলন পাওয়া যায়। এতে লক্ষাধিক টাকার উপরে গাজর বিক্রি করা যায়। আগামী ৭-১০ দিনের মধ্যে গাজর বিক্রি শুরু হবে।

বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত ঈশ্বরদীর কৃষক জাহিদুল ইসলাম বলেন, এবছর আমি ১০০ বিঘা জমিতে গাজর চাষ করেছি। তবে গত বছরের তুলনায় এবছর গাজর চাষে খরচ বেশি হয়েছে। বীজের দাম বাড়ায় গাজর চাষে বিঘাপ্রতি খরচ ৪২-৫০ হাজার টাকা। গাজর জমি থেকেই এক থেকে দেড় লাখ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

গাজর চাষি ভুট্রু আলী বলেন, আমি আমার ১৭ বিঘা জমিতে গাজর চাষ করেছি। সব কিছু মিলিয়ে এই ১৭ বিঘা জমিতে গাজর চাষে ৮ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এবছর ১৭৩০০ টাকা কেজি গাজরের বীজ কিনতে হয়েছে ২১৫০০ টাকায়। তাই খরচ বেড়েছে। গাজর জমি থেকেই বিক্রি করা যায়। আগামী ৭-১০ দিনের মধ্যে গাজর উঠবে। আশা করছি লাভবান হবো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিতা সরকার বলেন, গাজর চাষ খুবই লাভজনক। এই উপজেলার মাটি গাজর চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এ বছর ঈশ্বরদী উপজেলার ৮৫০ হেক্টর জমিতে গাজরের চাষ করা হচ্ছে। গাজর বাজারে উঠলে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি গাজর বিক্রয় হয়। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে গাজর চাষে কৃষকদের সব রকম সহযোগিতা করা হয়েছে।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ