• বৃহস্পতিবার   ০৬ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ২১ ১৪২৯

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

এলাচ ও চারা উৎপাদনে সফল স্কুলশিক্ষক মেনয়াং ম্রো

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২  

মসলা জাতীয় ফসল এলাচ ও এলাচের চারা উৎপাদনে ব্যাপক সফলতার পাশাপাশি সফল হয়েছেন বান্দরবানের চিম্বুক পাহাড়ের ওয়াইজংশন এলাকার দেওয়াই হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মেনয়াং ম্রো। বর্তমানে তিনি এলাচ চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে চারা উৎপাদন করছেন। প্রতিটি চারা বিক্রি করছেন ৩৫০ টাকা দরে।

জানা যায়, ২০১৮ সালে চাষি মেনয়াং ম্রো যশোরের বেনাপোল এলাকার এক চাষির কাছ থেকে ১২০টি এলাচ চারা সংগ্রহ করে বান্দরবানের পাহাড়ে শুরু করেন এলাচ চাষ। সেই যে শুরু আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। বর্তমানে তার এলাচ গাছে বেশ ফলনও এসেছে। তার এমন সাফল্যে এলাকার এখন অনেকেই তার কাছ থেকে চারা কিনছে বলে জানান তিনি।

মেনয়াং ম্রো বলেন, প্রথমদিকে ১২০টি এলাচের চারা সংগ্রহ করে বান্দরবানে এনে চিম্বুক পাহাড়ের ওয়াইজংশন এলাকার পতিত জমিতে রোপণ করি। পাহাড়ের ভূমিগুলো এলাচ চাষের জন্য বেশ উপযোগী। এলাচ গাছ কমপক্ষে ৩০ বছর পর্যন্ত ফল দেয়। প্রতিটি এলাচ গাছের গোড়া থেকে ফলন হয়। প্রতি গুচ্ছে ৯০০-১০০০ গ্রাম পর্যন্ত ফলন হয়। সাধারণত ফুল আসা শুরু হয় মে মাসে এবং ফল পরিপক্ক হয় সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে। তখন বাগান থেকে কাঁচা এলাচ সংগ্রহ করে রোদে শুকাতে হয়।

তিনি আরও বলেন, বছর দুই ধরে তার বাগানের অনেক গাছে এলাচ ধরতে শুরু করেছে। এলাচ বিক্রি শুরু না হলেও চারা বিক্রি করে ভালো আয় হচ্ছে।

কৃষি কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক বলেন, এলাচ মূলত বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। কিন্তু বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পরীক্ষামূলকভাবে এলাচ চাষ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি সাফল্যেও মিলছে। এলাচ চাষ করতে তেমন কোন অতিরিক্ত খরচ হয়না। যেকোন ছায়া যুক্ত জায়গায় চাষ করা যায়। সরকারিভাবে পার্বত্য এলাকার কৃষকদের আরও বিভিন্ন সহায়তা দিলে বাণিজ্যিকভাবে এলাচ চাষ বাড়বে।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ