• মঙ্গলবার   ১৬ আগস্ট ২০২২ ||

  • ভাদ্র ১ ১৪২৯

  • || ১৯ মুহররম ১৪৪৪

বাগেরহাটে অসময়ে তরমুজের বাম্পার ফলন

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ৪ আগস্ট ২০২২  

তরমুজ মৌসুমি ফল। সাধারণত ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত বাজারে পাওয়া যায়। কিন্তু উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের লবণাক্ত এলাকায় অসময়ে তরমুজের বাম্পার ফলনে হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। অল্প খরচে কম সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় জেলায় তরমুজের চাষ বেড়েছে।

বাগেরহাট সদর উপজেলার নোনাডাঙ্গা গ্রামের মৎস্য ও সবজি চাষি জাহিদুল ইসলাম বলেন, কৃষি বিভাগের প্রদর্শনী খামার হিসেবে আমাকে মনোনীত করে এবং তরমুজ চাষের জন্য পাঁচ হাজার টাকা অনুদান দেয়। আমি তখন ঘেরের পাড়ে জৈব সার প্রয়োগ করে ৬০০ চারা রোপণ করি। তিন মাসের মাথায় ফল আসতে শুরু করে। তরমুজের জাতের মধ্যে রয়েছে তৃপ্তি ও বাংলালিংক। আকারে ছোট হলেও ভালো ফলন ও স্বুসাদু হওয়ায় বেশ বিক্রি হচ্ছে। সাত হাজার টাকা খরচ করে ইতিমধ‌্যে ৩৩ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছি। আমি নিজেই গাছ থেকে কেটে বাজারে নিয়ে বিক্রি করি। এখনও প্রায় লাখ টাকার তরমুজ বিক্রির আশা করছেন তিনি। 

শুধু জাহিদুল ইসলাম নন, জেলার অনেক কৃষক এখন এই জাতের তরমুজ চাষ করছেন। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় দিন দিন এ তরমুজের চাষ বাড়ছে। 

  বাগেরহাট সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাদিয়া সুলতানা বলেন, ৭ হেক্টর জমিতে এই প্রদর্শনী খামার তৈরি করা হয়েছে। ‘ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে খুলনা কৃষি অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন’ প্রকল্পের আওতায় বাগেরহাটে প্রণোদনা দেওয়ার মাধ্যমে এই চাষ শুরু করা হয়েছে। অসময়ে তরমুজের ভালো ফলনের ফলে অন্য ফসলের চেয়ে কৃষকরা দামও বেশি পাচ্ছেন। 

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ