• শনিবার   ২৬ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১২ ১৪২৯

  • || ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ভুট্টার বাম্পার ফলনে বিশালগড় এলাকার চাষিদের মুখে হাসি

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৭ জুলাই ২০২২  

ত্রিপুরার সিপাহীজলা জেলার অন্তর্গত বিশালগড় এলাকায় উন্নত জাতের ভুট্টার বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই এখন স্থানীয় এলাকার কৃষকদের মধ্যে খুশির হাওয়া।

কৃষক গৌরাঙ্গ শীল জানান, এলাকাটি কৃষি প্রধান হলেও চাষিরা সাধারণত প্রচলিত শাকসবজি ও ফসলের বাইরে অন্য কিছু চাষ করার ঝুঁকি নিতে চান না। ত্রিপুরা সরকারের কৃষি এবং কৃষক কল্যাণ দফতরের স্থানীয় কর্মকর্তা দেবব্রত পালের উৎসাহে এ বছর ৬ জন কৃষক ভট্টা চাষ করেছেন। সব মিলিয়ে তারা প্রায় তিন হেক্টর জমিতে বর্ষাকালীন মৌসুমে ভুট্টা চাষ করেছেন। তারা ভুট্টা চাষ করে ব্যাপক লাভবান বলেও জানান তিনি।  

গৌরাঙ্গ আরও জানান, এপ্রিল ও মে মাসে তারা জমিতে ভুট্টার বীজ বপন করেছিলেন। ইতোমধ্যে বেশিরভাগ জমির ভুট্টা আবাদ হয়ে গিয়েছে, সামান্য কিছু জমিতে এখনো ভুট্টা রয়েছে। এগুলোও খুব দ্রুত আবাদ হয়ে যাবে। সব মিলিয়ে বিঘা পিছু তাদের খরচ হয়েছে সাত থেকে আট হাজার রুপি এবং প্রতিবিঘায় ভুট্টার ফলন হয়েছে এক হাজার থেকে ১২০০ কেজি। প্রতি কেজি ভুট্টা তারা পাইকারি মূল্যে ২০ থেকে ৩০ রুপি দামে বিক্রি করছেন। এগুলো বিক্রি করে বিঘা পিছু প্রায় ৩৭ হাজার রুপি আয় হয়েছে। যা অন্যান্য ফসলের তুলনায় অনেকটাই বেশি।  

গৌরাঙ্গ শীল আরও জানান, কাঁচা অবস্থায় ভুট্টা মানুষের খাবার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তাছাড়াও পাকা ভুট্টা বিভিন্ন খাবার তৈরীর কাজে লাগে। ভুট্টার কোনো অংশ ফেলার নয়। ভুট্টা গাছের বিভিন্ন অংশ পশু খাদ্য তৈরিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।  

স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা দেবব্রত পাল জানান, এই এলাকাটিতে অল্প বিস্তর ভুট্টা চাষ হয়ে আসছে। তবে এবছর কৃষি এবং কৃষক কল্যাণ দফতরের পক্ষ থেকে স্থানীয় চাষীদের উন্নত ইন্দম ১২০১ জাতের ভুট্টা বীজ, সার ঔষধ এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের কিছু আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হবে। এবছর ভুট্টার বাম্পার ফলন দেখে উৎসাহিত অন্যান্য চাষীরাও। তারাও এখন ভুট্টা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। ফলে আগামী দিনে আরও ব্যাপক আকারে ভুট্টা চাষ হবে এই এলাকায়।  

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ