• বুধবার   ১০ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৬ ১৪২৯

  • || ১৩ মুহররম ১৪৪৪

চলতি মৌসুমে নাটোর জেলায় ৪১২ কোটি টাকার আম কেনাবেচার সম্ভাবনা

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৭ জুন ২০২২  

চলতি মৌসুমে নাটোর জেলায় ৪১২ কোটি টাকার আম কেনাবেচার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান জেলা কৃষি বিভাগ। এ বছর জেলায় ৫ হাজার ৮৫৭ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ করা হয়েছে। যার উৎপাদন হয়েছে ৮২ হাজার ৩৯২ মেট্রিকটন। এ বছর আমের ফলন কম হলেও আমের ভালো দাম পেয়ে খুশি আম চাষিরা। জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এ বছর ৮২ হাজার ৩৯৩ মেট্রিকটন আম উৎপাদন হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৪১২ কোটি টাকার সম্ভবনা মূল্য ধরা হয়েছে।

যার মধ্য নাটোর সদর উপজেলায় ১ হাজার ১২৩ হেক্টর, উৎপাদন ১৪ হাজার ৪৮০মেট্রিকটন। বাগাতিপাড়া উপজেলায় আবাদ ১ হাজার ২৭৫ হেক্টর, উৎপাদন ১৮ হাজার ৪৬২ মেট্রিকটন। লালপুর উপজেলায় ১হাজার ৮০৫ হেক্টর, উৎপাদন ২৭ হাজার ৭৫ মেট্রিকটন।নলডাঙ্গা উপজেলায় ৪১০ হেক্টর, উৎপাদন ৪ হাজার ৭১৫ মেট্রিকটন।সিংড়া উপজেলায় ৩৭০ হেক্টর, উৎপাদন ৩ হাজার ৬৭৬ মেট্রিকটন। গুরুদাসপুর উপজেলায় ২৯২ হেক্টর, উৎপাদন ৪ হাজার ৬৭৩ মেট্রিকটন এবং বড়াইগ্রাম উপজেলায় ৫৮২ হেক্টর, উৎপাদন ৯ হাজার ৩১২ মেট্রিকটন আমের উৎপাদন হয়েছে। সদর উপজেলার আমহাটি এলাকার আম চাষি হাসান আলী বলেন, এ বছর আমের ফলন কম হলেও দাম মোটামুটি ভাল রয়েছে। আড়তে প্রতি মণ ল্যাংড়া আম বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকায়, খিরসাপাত ২২০০ থেকে ২৪০০ ও লোকনা ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায়। 

সদর উপজেলার হালসা এলাকার আম চাষি আমিনুল ইসলাম বলেন, এ বছর আমের বাজার ভালো আছে। যদি শেষ পর্যন্ত বাজার ভালো থাকে তাহলে বাগান মালিকরা লাভবান হতে পারবে। আড়তে প্রতি মণ খিরসাপাত ২০০০ থেকে ২১০০ টাকায় বিক্রি করছেন তিনি।লালপুর উপজেলার আম চাষি উত্তম কুমার বলেন, আমার ৮ বিঘা জমিতে আমের বাগান রয়েছে। প্রায় সব গাছে কম-বেশি আম এসেছে। তবে এ বছর আমের বাগানে মুুকুল কম হওয়ায় আমের ফলনও কম হয়েছে। তবে আমের দাম বেশ ভালো রয়েছে। তিনি এ বাগান থেকে এ বছর ৩ লাখ টাকার আম বিক্রি করতে পারবেন বলে জানান।বাগাতিপাড়া উপজেলার আম চাষি মোমিন হোসেন বলেন, ৫ বিঘা জমিতে আমের বাগান রয়েছে তার।

পুরো বাগানে আম্ররুপালি গাছ রয়েছে। কিছুদিন পর থেকে আম সংগ্রহ শুরু করবেন। বর্তমান আমের যে বাজারমূল্য তা যদি থাকে তাহলে তিনি বেশ লাভবান হবেন বলে জানান। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক ড. ইয়াছিন আলী বলেন, এ বছর প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আমের উৎপাদন কম হলেও দাম ভালো পাওয়ায় চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। জেলায় থেকে এ মৌসুমে প্রায় ৪১২ কোটি টাকার আম বিক্রির সম্ভবনা মূল্য ধরা হয়েছে। জেলায় ন্যাংড়া, আম্রপালি, লক্ষণভোগ আবাদ বেশি হয়েছে।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ