রোববার   ০৫ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ২২ ১৪২৬   ১১ শা'বান ১৪৪১

২৫৫৯

সিরাজগঞ্জে সরকারি তৃতীয় শ্রেণির এক কর্মচারী ৫ বছরেই কোটিপতি !

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০১৯  

মাত্র ৫ বছর চাকুরী করে সিরাজগঞ্জ সদর খাদ্য গুদাম (এলএসডি) গোডাউনের সহকারি খাদ্য উপ-পরিদর্শক মো: মনিরুল ইসলাম কোটিপতি হয়েছেন। বেপরোয়াভাবে ঘুষ বাণিজ্যে কালো টাকার পাহাড়, বহুতল ভবন ও দেশের বাড়িতে গড়ে তুলেছেন শত শত বিঘা জমি।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, মনিরুল ইসলাম সদর খাদ্য গুদাম (এলএসডি)’তে ২৯.০৪.২০১৪ইং তারিখে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে যোগদান করেন। যোগদানের পরপরই ১৫.১২.২০১৫ইং তারিখে গমে পানি দেবার অপরাধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে অন্যত্র বদলীর নির্দেশ প্রদান করে।

কিন্তু অদৃশ্যকারণে তিনি এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন। তদবিরের মাধ্যমে নিয়োগ বাণিজ্য, তদবিরের মাধ্যমে বদলীর ব্যবস্থা, ডিলার মিলমালিক ও চেয়ারম্যনদের জিম্মি করে খাদ্য সরবরাহে ওজনে কম দেয়া, খাদ্য সংগ্রহে ওজনে বেশি নেয়া ও গমে পানি দেয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন কৌশলে উৎকোচ গ্রহণ করে তিনি এখন কোটিপতি হয়েছে।

মনিরুলের বাড়ি উল্লাপাড়ার চর দমদমা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ৮০শতক জায়গার মধ্যে রাজাদের রাজবাড়ির মত বহুতল ভবন, গরুর খামার, বাসায় কাজের ভুয়া, দারোয়ানসহ মাঠে বিঘায় বিঘায় জমি রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার গ্রামে জনৈক এক ব্যক্তি বলেন, শহিদুল ইসলামের ছেলে মনিরুল ইসলাম চাকুরী আগে টেনেটুনে তাদের সংসারও চলত না। তার চাচা বদরুল হাসান ফুডের লাইন ডাইরেক্টর হওয়ার সুবাধে তাকে চাকুরী নিয়ে দেয়।

চাকুরী নেওয়ার পর থেকে মনিরুল মাঠে বিঘায় বিঘায় জমি কিনতে শুরু করে। তার বাড়িতে গেলে দেখতে পাবেন মনিরুল কি বিশাল রাজবাড়ি করেছে। এখন মনিরুল কোটিপতি। আমাদের সাথে কোন কথা বলতে চায়না। মনিরুল এলাকায় ঘুষবাণিজ্যের মাধ্যে অনেক ছেলের ফুডে চাকুরীও নিয়ে দিয়েছে।

সরকারি তৃতীয় শ্রেণির এক কর্মচারী হয়ে মনিরুল কিভাবে কোটিপতি হয়েছে দূর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ
এই বিভাগের আরো খবর