• মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৯ ১৪২৭

  • || ১০ শাওয়াল ১৪৪১

২১

ডালে ডালে ঝুলছে লেবু

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ৫ মে ২০২০  

জামালপুর সদরের শরিফপুর, রানাগাছা, নান্দিনা, তুলশিরচর, হামিদপুর, কেন্দুয়া ও বকশীগঞ্জের দুর্গম গারো পাহাড়ে গাছের ডালে ডালে ঝুলেছে লেবু। লাভজনক হওয়ায় জেলার বিভিন্ন স্থানে অনাবাদি জমিতে লেবু চাষ করে সফলতা পেয়েছেন অনেক কৃষক।

শরীফপুরের চাষি বাচ্চু মিয়া তিন বিঘা জমিতে দেশি জাতের লেবু চাষ করেন। এ মৌসুমে প্রতিদিনই তিনি লেবু বিক্রি করছেন। চাহিদা থাকায় বাগান থেকেই কিনে নিচ্ছেন ক্রেতারা।

বাচ্চু মিয়া বলেন, বাগান পরিচর্যার জন্য দুইজন লোক রয়েছেন। লেবু বাগানে সব সময় গোবর, পটাস, ইউরিয়া ও চুন দেয়া হয়। সাতদিন পর পর দেয়া হয় পানি সেচ। আমার দেখে অনেকেই লেবু বাগান করতে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।

শহরের স্টেশন বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী সাঈদ জানান, অন্য বছরের চেয়ে এবার লেবুর চাহিদা অনেক বেশি। প্রতি হালি লেবু ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করছেন তিনি।

বকশীগঞ্জের সাতানিপাড়াসহ কয়েকটি ইউপি পাহাড়ি এলাকা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এখানে এলাচি ও বাতাবি লেবু চাষ করা হয়েছে। স্থানীয় বাজারে চাহিদা পূরণ করে অন্যান্য জেলাতেও যাচ্ছে এ লেবু। এদিকে লেবু চাষ করলেও পরীক্ষামূলক মাল্টার চারাও রোপণ করতে দেখা গেছে। বেশ কিছু গাছে মাল্টাও রয়েছে।

চাষি ফারুক মিয়া জানান, তিনি অনুমানের ভিত্তিতে লেবু চাষ করছেন। এ পর্যন্ত লেবু চারা রোপণ করলেও কোনো ধরনের সার ও কীটনাশক দেননি। প্রশিক্ষণ নিয়ে চাষ করলে আরো ভালো ফলন হবে।

বকশীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর আজাদ বলেন, পাহাড়ি এলাকায় লেবু চাষ হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। তবে লেবু চাষে কোনো পরামর্শ নিতে কেউ এখনো আসেনি। এলে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, লেবু এমন একটি ফসল এটি একবার চাষ করলে দীর্ঘদিন ফলন পাওয়া যায়। ফলে কম খরচে বেশি লাভ করা যায়। এরইমধ্যে চরের জমিতে লেবু চাষ সম্প্রসারণে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ
নগর জুড়ে বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর