• সোমবার   ১০ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৫ ১৪২৭

  • || ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

৪৬

কৃষকের মুখে সোনালি হাসি

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ৯ জুলাই ২০২০  

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ধানের পাশাপাশি চাষ হয়ে থাকে পাটেরও। এ বছর সোনালি আঁশ পাটের চাষ হয়েছে ২১০ হেক্টর জমিতে আর দাম বেশি পেয়ে খুশি চাষিরা। ফলে তাদের মুখে ফুটেছে সোনালি হাসির ঝিলিক। ভালো দাম এবং কৃষি বিভাগ থেকে সার্বিক সুযোগ-সুবিধা পেয়ে পাটের চাষ আরও বৃদ্ধি হয়েছে বলে জানিয়েছেন চাষিরা।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, এ বছর ২১০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে।  দেশি ও তোষা জাতের পাট চাষ করা হয়েছে। তবে উচ্চ ফলনশীল তোষা জাতের পাট চাষ হয়েছে বেশি।

সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পাট কাটা, জাগ দেওয়া, পাটকাঠি থেকে পাট ছাড়ানো ও শুকানো নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। বর্ষার নদী-নালা, খাল-বিল ও ডোবাতে পানি থাকায় পাট জাগ দেওয়ার কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি কৃষকদের।

কৃষকেরা জানায়, পাটের ফলন ভাল হলে প্রতিবিঘায় ১০-১২ মণ হয়ে থাকে এবং খারাপ হলে ৭-৮ মণের মতো হয়। গত কয়েক বছর আগে প্রতিমণ পাটের দাম ছিল ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকা। এবছর প্রতিমণ পাট বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকা থেকে ২ হাজার ২শত টাকা।

উপজেলা নওগাঁ হাটের পাট ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ ও মজিবর রহমান বলেন, এ বছর পাটের ফলন ভাল। বাজারে দামও বেশি। প্রতিমন পাট ২হাজার থেকে ২হাজার ২শত টাকা করে ক্রয় করছি। আর পাটের দাম বেশি পেয়ে কৃষকের মহাখুশি।

তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ গ্রামের কৃষক আব্দুল মজিদ ও জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত বছরের তুলনায় দাম ভালো পেয়েছি। দাম ভালো পাওয়া যাচ্ছে। ভালো দাম পেলে আগামীতেও পাট চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়বে।’

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ লুৎফুন নাহার লুনা বলেন, ‘এবছর কৃষকেরা পাট চাষ করে ফলন ভাল পেয়েছেন। বাজারে পাটের দাম ভালো। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদের পাট চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর