• সোমবার   ০৬ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২৩ ১৪২৬

  • || ১২ শা'বান ১৪৪১

২২

কমে গেলো পেঁয়াজ ও রসুনের দাম

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার এবং বাজারে রসুনের সরবরাহ বাড়ায় কমতে শুরু করেছে এ দুইটি নিত্যপণ্যের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে কেজিপ্রতি পেঁয়াজ ২০ টাকা ও রসুন ৭০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। 

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর রামপুরা, খিলগাঁও, মালিবাগ, কারওয়ান বাজার, কাঁঠালবাগান কাঁচা বাজার, গ্রীন রোড, হাতিরপুল বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।  এসব বাজারে গত সপ্তাহে ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের দাম ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, যা এ সপ্তাহে ৮০ থেকে ৯০ টাকায় নেমে এসেছে। আর রপ্তানি করা পেঁয়াজ ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ১১০ থেকে ১২০ টাকা ছিল। 

গত সপ্তাহে আমদানি করা চীনা পেঁয়াজেরও দাম ছিল ২০০ থেকে ২১০ টাকা। বর্তমানে তা ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৩০ টাকা কমেছে আমদানি করা রসুনের দাম। আর গত সপ্তাহে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া দেশি রসুন বর্তমানে ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৭০ টাকা কমেছে দেশি রসুনের দাম। 

দাম কমার বিষয়ে খিলগাঁও বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজের আমদানি বন্ধ থাকায় হু হু করে বাড়তে থাকে পেঁয়াজেরও দাম। এখন রপ্তানির যে নিষেধাজ্ঞা ছিল তা তুলে নিয়েছে ভারত। এ কারণে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমেছে। আর দেশি রসুনের সরবরাহ বাড়াতে রসুনেরও দাম কমেছে। 

তিনি আরও বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে চীনা রসুনের দাম ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ২০০ টাকা কেজি হয়ে গিয়েছিল। তখন দেশি রসুনের সরবরাহও ছিল কম। কিন্তু এখন প্রচুর দেশি রসুন আসছে বাজারে। আর এ কারণেই দাম কমেছে সব ধরনের রসুনের।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ
জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর