• বৃহস্পতিবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৯ ১৪২৭

  • || ০৭ সফর ১৪৪২

৫১

এলাকায় না যাওয়া এমপিদের সেভাবেই মূল্যায়ন, থাকবে দলীয় পর্যবেক্ষণ

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ১ জুন ২০২০  

চলমান করোনা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় যাননি জাতীয় সংসদের অন্তত ৭৫ জন সদস্য। এক অনুসন্ধানে জানা গেছে, নির্বাচনী এলাকায় যাননি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৫৬ জন, জাতীয় পার্টির ৯ জন, ১৪ দলীয় জোটের ৪ জন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৪ জন এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ২ জন। সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় না যাওয়ার বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, অপেক্ষাকৃত বয়স্ক ও শারীরিকভাবে অক্ষম সংসদ সদস্যদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই নির্বাচনী এলাকায় না গিয়ে নিরাপদে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে যতটা সম্ভব মানুষের সহযোগিতায় নিয়োজিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

 

নেতারা আরও বলছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ মেনেই হয়তো প্রবীণ সংসদ সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় যাননি। তবে মোবাইল ফোনে, সামাজিক যোগাযোগ ও বিভিন্ন মাধ্যমে সার্বক্ষণিকভাবে নির্বাচনী এলাকায় যোগাযোগ রাখছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলটির মধ্যম সারির এক নেতা বলেন, অপেক্ষাকৃত তরুণ সংসদ সদস্যরা হয়তো নির্বাচনী এলাকায় যাওয়ার সাহস পাননি। কেউ কেউ নিরাপদে থাকার চেষ্টা করেছেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রহমান বলেছেন, দলীয় নির্দেশনা তো ছিল এই সময় জনপ্রতিনিধিরা মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াবে। যারা এই সময়ে মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়নি, মানুষও তাদের সেইভাবেই ভবিষ্যতে মূল্যায়ন করবে। দলীয়ভাবে তো আমাদের পর্যবেক্ষণে থাকবেই কারা গেল, কারা কাজ করল- এই দুঃসময়ের দিনে।

দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, অধিকাংশ সংসদ সদস্যই নিজ নিজ এলাকায় করোনা মোকাবিলায় ভূমিকা রাখছেন। অনেক সময় দেখা যায় এমপি সাহেবরা এলাকায় গেলে এত বেশি ভিড় হয় যে সেখানে সংক্রমণের আশঙ্কা বা ভয় বেশি থাকে।

তিনি বলেন, করোনায় জনপ্রতিনিধিরা ৯৯ শতাংশই স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং দায়বদ্ধতার সঙ্গেই দায়িত্ব পালন করছেন। এক শতাংশ হয়তো ভুল-ত্রুটি করছেন। যে দুই-চারজন সুস্থ থাকার পরও নির্বাচনী এলাকায় যাননি, এলাকার নির্বাচকমণ্ডলী তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে। কোনো পদই তো স্থায়ী নয়।

চলমান করোনা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় যাননি জাতীয় সংসদের অন্তত ৭৫ জন সদস্য। এক অনুসন্ধানে জানা গেছে, নির্বাচনী এলাকায় যাননি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৫৬ জন, জাতীয় পার্টির ৯ জন, ১৪ দলীয় জোটের ৪ জন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৪ জন এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ২ জন। সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় না যাওয়ার বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, অপেক্ষাকৃত বয়স্ক ও শারীরিকভাবে অক্ষম সংসদ সদস্যদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই নির্বাচনী এলাকায় না গিয়ে নিরাপদে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে যতটা সম্ভব মানুষের সহযোগিতায় নিয়োজিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

 

নেতারা আরও বলছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ মেনেই হয়তো প্রবীণ সংসদ সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় যাননি। তবে মোবাইল ফোনে, সামাজিক যোগাযোগ ও বিভিন্ন মাধ্যমে সার্বক্ষণিকভাবে নির্বাচনী এলাকায় যোগাযোগ রাখছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলটির মধ্যম সারির এক নেতা বলেন, অপেক্ষাকৃত তরুণ সংসদ সদস্যরা হয়তো নির্বাচনী এলাকায় যাওয়ার সাহস পাননি। কেউ কেউ নিরাপদে থাকার চেষ্টা করেছেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রহমান বলেছেন, দলীয় নির্দেশনা তো ছিল এই সময় জনপ্রতিনিধিরা মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াবে। যারা এই সময়ে মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়নি, মানুষও তাদের সেইভাবেই ভবিষ্যতে মূল্যায়ন করবে। দলীয়ভাবে তো আমাদের পর্যবেক্ষণে থাকবেই কারা গেল, কারা কাজ করল- এই দুঃসময়ের দিনে।

দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, অধিকাংশ সংসদ সদস্যই নিজ নিজ এলাকায় করোনা মোকাবিলায় ভূমিকা রাখছেন। অনেক সময় দেখা যায় এমপি সাহেবরা এলাকায় গেলে এত বেশি ভিড় হয় যে সেখানে সংক্রমণের আশঙ্কা বা ভয় বেশি থাকে।

তিনি বলেন, করোনায় জনপ্রতিনিধিরা ৯৯ শতাংশই স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং দায়বদ্ধতার সঙ্গেই দায়িত্ব পালন করছেন। এক শতাংশ হয়তো ভুল-ত্রুটি করছেন। যে দুই-চারজন সুস্থ থাকার পরও নির্বাচনী এলাকায় যাননি, এলাকার নির্বাচকমণ্ডলী তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে। কোনো পদই তো স্থায়ী নয়।

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ
রাজনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর