বৃহস্পতিবার   ০২ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ১৮ ১৪২৬   ০৮ শা'বান ১৪৪১

২৯০২

অ্যানাল সেক্সে সুখের সপ্তম স্বর্গ! সমীক্ষায় অবাক দাবি মহিলাদের

আলোকিত সিরাজগঞ্জ

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০১৯  

ব্রিটিশ সেক্সোলজিস্ট ডা. জেসিকা ও’রেলি জানাচ্ছেন, অ্যানাল সেক্স বা পায়ুমৈথুন একটি স্বাভাবিক সেক্স প্রক্রিয়া। এতে তুলনামূলকভাবে বেশি আনন্দ পাওয়া যায়। কারণ, নারীর নিতম্বদেশ এবং পায়ু শরীরের যৌন সংবেদনশীল স্থানগুলির অন্যতম। ডাক্তারি পরিভাষায় ‘রেসপন্সিভ ইরোজেনাস জোন’। সুতরাং, অ্যানাল সেক্স করে সুখের সপ্তম স্বর্গে পৌঁছনো সম্ভব। যোনির তুলনায় পায়ু ছোট ও সরু হওয়ায় পুশ করার সময় পুরুষ অনেক বেশি আনন্দ অনুভব করে।  

অ্যানাল সেক্স শুরু করার আগে সঙ্গিনীর কোমল নিতম্বদেশে হাত বুলিয়ে এবং চুমু খেয়ে উত্তেজনা জাগিয়ে তুলতে হবে। শক্ত উত্থিত পেনিস নিতম্বদেশের খাঁজে ঘষলে মেয়েরা প্রবলভাবে উত্তেজিত হয়। যদি হাইজিন নিয়ে ছুঁৎমার্গ না থাকে, তা হলে পায়ুতে আঙুল ঢুকিয়ে নাড়াচাড়া করা যায়। সেক্ষেত্রে তীব্র শিহরনে নারীশরীর কম্পিত হবে।
 
তবে অ্যানাল সেক্স করতে গেলে কতগুলি বিষয় মাথায় রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন ডা. জেসিকা ও’রেলি। প্রথমত, পায়ুর ভিতর দিকের চামড়া যোনির তুলনায় নরম হয়। তাই আস্তে আস্তে পুশ করতে হবে। গায়ের জোরে পুশ করলে পায়ুর চামড়া ফেটে গিয়ে রক্তপাত হতে পারে। সেটা মোটেই কাম্য নয়। দ্বিতীয়ত, যোনিতে বার্থোলিন্স গ্ল্যান্ড থাকে। সেক্সের সময় এই গ্ল্যান্ড থেকে রস বেরিয়ে যোনিপথ পিচ্ছিল করে দেয়। ফলে, সেক্স আনন্দদায়ক হয়। কিন্তু, পায়ুতে এমন কোনও গ্ল্যান্ড থাকে না। তাই অ্যানাল সেক্সকে আনন্দদায়ক করে তুলতে লুব্রিক্যান্ট ব্যবহার করা বাঞ্ছনীয়। তৃতীয়ত, অ্যানাল সেক্স থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। তাই কন্ডোম ব্যবহার করা উচিত। চতুর্থত, অ্যানাল সেক্সের মাঝে ভ্যাজাইনাল সেক্স করা উচিত নয়। সেক্ষেত্রে পায়ু থেকে যোনিতে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে।
 
ব্রিটিশ সেক্সোলজিস্ট ডা. জেসিকা ও’রেলি দাবি করেছেন, ঋতুকালীন সময়ে বা সঙ্গিনী গর্ভবতী থাকলে অ্যানাল সেক্স ভাল বিকল্প হতে পারে।

 

আলোকিত সিরাজগঞ্জ
আলোকিত সিরাজগঞ্জ
এই বিভাগের আরো খবর